অনলাইনে ঘরে বসে আয় করার জন্য বিভিন্ন ধরনের টাকা ইনকাম করার ওয়েবসাইট রয়েছে।
এই সাইট গুলির মাধ্যমে সহজেই টাকা আয় করা যায়।
কেননা ইন্টারনেটের সহজলভ্যতা বাড়ার কারণে বিভিন্ন আর্নিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ইনকাম করা এখন অনেক সহজ হয়ে গেছে।
আজকাল অনেকেই অনলাইন থেকে টাকা ইনকামকে প্রধান পেশা হিসেবে নিচ্ছেন।
কেননা অনেক সাইট থেকে এখন বেশ ভালো পরিমাণ অর্থ উপার্জন করা সম্ভব।
তবে ইনকাম করার ক্ষেত্রে অবশ্যই রিয়েল ইনকাম সাইট বেছে নিতে হবে।
যার ফলে আমাদেরকে আসল সাইট চিনতে হবে।
এই ব্লগে এমন ৬টি টাকা আয় করার সাইট সম্পর্কে জানতে পারবেন।
যেগুলিতে কাজ করে আপনি অনায়াসেই খুব ভালো পরিমাণ টাকা আয় করতে পারবেন ও নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারবেন।
অনলাইনে অর্থ উপার্জন করার জন্য বিভিন্ন ধরনের আর্নিং সাইট রয়েছে।
এই ওয়েবসাইট গুলির মাধ্যমে নানারকম উপায়ে ঘরে বসে অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করা সম্ভব।
তবে আয় করার ক্ষেত্রে আমাদেরকে অবশ্যই আসল সাইট থেকে আয় করতে হবে।
আসল সাইট চেনার উপায়
১. যে সকল ওয়েবসাইটের রিভিউ অনেক ভালো।
২. আর যে সকল সাইটে কাজ করতে কোন প্রকার ইনভেস্ট করতে হয় না।
৩. যারা দীর্ঘদিন ধরে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে উনি নিয়মিত পেমেন্ট করছে।
এ ধরনের সাইট থেকে সাধারণত ফ্রিল্যান্সিং করে, মাইক্রো জব করে, কন্টেন্ট তৈরি করে, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে, অনলাইনে ছবি বিক্রি করে আয় করা সম্ভব।
এই ব্লগে অনলাইন থেকে অর্থ উপার্জন করার সেরা ছয়টি প্রসিদ্ধ টাকা ইনকাম করার ওয়েবসাইট সম্পর্কে জানতে পারবো।
যে সাইটগুলো তরুণ প্রজন্মের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
আপনি একজন শিক্ষার্থী বা বেকার হিসেবে ফুল টাইম বা পার্ট টাইম কাজ করে এই সাইটগুলি থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।
অনলাইনে টাকা ইনকাম করার ওয়েবসাইট সমূহ
অনলাইনে আপনার ক্যারিয়ার গড়ার জন্য অনেক প্রসিদ্ধ ওয়েবসাইট রয়েছে।
যেই ওয়েবসাইট গুলোতে কাজ করে আপনি সহজে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।
তবে এই ধরনের সাইটে ইনকাম করার ক্ষেত্রে আপনার অবশ্যই একটি স্মার্টফোন বা কম্পিউটারের প্রয়োজন হবে।
সেই সাথে আপনার প্রয়োজন হবে দ্রুতগতির ইন্টারনেট। অনলাইন থেকে তথ্য উপার্জন করার সেরা ওয়েবসাইট গুলি হল-
১. Upwork
এটি খুবই জনপ্রিয় ও প্রসিদ্ধ একটি বিশ্বস্ত অনলাইন ইনকাম সাইট। এটি মূলত একটি ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট।
যারা ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা আয় করতে চান, তাদের জন্য এই ওয়েবসাইট টি সবথেকে সেরা।
Upwork থেকে একজন ফ্রিল্যান্সার খুব সহজেই প্রতি মাসে ৫০ হাজার টাকা আয় করতে পারবেন।
আর এখানে দীর্ঘমেয়াদি ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ রয়েছে।
আপনি যদি ভাল কাজ করতে পারেন ও দক্ষতা দেখাতে পারেন, তাহলে এই সাইটে আপনি আপনার ইনকামকে অনেক বেশি বাড়িয়ে নিতে পারবেন।
Upwork এ প্রধানত ডাটা এন্ট্রি, ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট, ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক্স ডিজাইন, রাইটিং, এসইও ইত্যাদি কাজ করে বেশ ভালো পরিমাণ টাকা আয় করা যায়।
এই সাইট থেকে আপনার উপার্জিত অর্থ সরাসরি ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে নিতে পারবেন।
Upwork থেকে ইনকাম করার প্রসেস
১. প্রথমে এই ওয়েবসাইটে যেয়ে আপনার অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে ও প্রোফাইল তৈরি করতে হবে।
২. প্রোফাইলে আপনার ছবি, কাজের টাইটেল, ওভারভিউ ও পোর্টফোলিও সেট করতে হবে।
৩. আপনি যে বিষয়ে কাজ করতে চান, সেই বিষয়ের উপর কাজ সার্চ করতে হবে।
৪. আপনার পছন্দের কাজ পেয়ে গেলে কানেক্ট ব্যবহার করে কাজের জন্য কভার লেটার লিখতে হবে।
৫. এরপর ক্লায়েন্ট যোগাযোগ করলে দ্রুত রেসপন্স বা রিপ্লাই দিতে হবে।
৬. ক্লায়েন্ট এর কাছ থেকে কাজ বুঝে নিতে হবে ও কাজ শেষ করে তা সাবমিট করতে হবে।
Upwork এ আওয়ারলি ও ফিক্সড প্রাইস এই দুই নিয়মে কাজ করা যায়। আপনার ইনকামের টাকা আপনি খুব সহজেই ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে পেমেন্ট নিতে পারবেন।
২. Fiverr
এটিও একটি অন্যতম সেরা টাকা ইনকাম করার ওয়েবসাইট। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মানুষ এই ওয়েবসাইটে কাজ করে টাকা ইনকাম করছেন।
এই লিংকটি ওয়েবসাইট থেকে কম দক্ষতা সম্পন্ন ও বেশি দক্ষতা সম্পন্ন উভয় ধরনের কাজ করে টাকা আয় করা যায়।
আপনি এই ওয়েবসাইটে ডাটা এন্ট্রি, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, আর্টিকেল রাইটিং, ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ভিডিও এডিটিং ইত্যাদি কাজ করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।
এই ওয়েবসাইটটি থেকে আপনি প্রতি মাসে অনায়েসেই ৩০ হাজার টাকা আয় করতে পারবেন।
এছাড়া আপনার দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে ইনকামকে বহুগুণ বাড়িয়ে নিতে পারবেন।
Fiverr থেকে ইনকাম করার প্রসেস-
১. প্রথমে আপনাকে একটি অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে।
২.আপনি যে বিষয়ের উপর কাজ করতে চান, সেই বিষয়ে গিগ খুলতে হবে।
৩. গিগে আপনার কাজের টাইটেল, ইমেজ বা ছবি, ডেসক্রিপশন, কাজের রেট দিতে হবে।
৪. এছাড়া গিগে আপনার কাজের পোর্টফোলিও সেট করতে হবে।
৫. কোন ক্লায়েন্ট আপনাকে কাজে নিলে তা খুবই ভালোভাবে করতে হবে ও তার কাছ থেকে একটি ভালো রিভিউ নিতে হবে।
আপনার প্রোফাইলে একটি ভালো রিভিউ, আপনাকে পরবর্তীতে আরও বেশি বেশি কাজ পেতে সাহায্য করবে।
এই প্ল্যাটফর্ম থেকে আপনি খুব সহজেই Payoneer এর মাধ্যমে টাকা নিয়ে তা বিকাশ, নগদ, রকেট, ফোনপে, পেটিএম ইত্যাদিতে নিতে পারবেন।
এটি একটি অন্যতম ও সেরা সাইট। এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে খুব সহজে যেকোনো ধরনের ওয়েবসাইট বানানো যায়।
মূলত এটি একটি ওয়েবসাইট বিল্ডার। পৃথিবীর বহু সাইট বর্তমানে wix দিয়ে তৈরি হচ্ছে।
কেননা এই সাইটগুলি দেখতে অনেক দৃষ্টিনন্দন হয়ে থাকে। সহজ কথায় বলতে গেলে Wix দিয়ে ওয়েব ডিজাইনের কাজ করা যায়।
আর আপনি যদি এই প্ল্যাটফর্মে মাধ্যমে ওয়েবসাইট বানাতে পারেন, তাহলে Upwork, Freelancer, Fiverr এর মত ওয়েবসাইট থেকে খুব সহজেই Wix দিয়ে ওয়েবসাইট বানানোর কাজ পাবেন।
আর এভাবে প্রতিমাসে ৩০ থেকে ৫০ টাকা ইনকাম করতে পারবেন।
Wix দিয়ে খুব সহজে ড্রাগ এন্ড ড্রপ করে ওয়েবসাইট বানানো যায়।
যার ফলে যে কেউই কোন প্রকার কোডিং ছাড়াই যেকোনো ধরনের ওয়েবসাইট বানাতে পারে।
এছাড়া এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে Wix Legend পার্টনার হিসেবেও আয় করতে পারবেন।
আপনি যখন অনেক বেশি বেশি সাইট ক্লায়েন্টের জন্য বানিয়ে দিবেন, তখন আপনি Wix এর Legend পার্টনার হতে পারবেন।
এতে করে আপনার ক্লায়েট যতবার তার সাইট ও ডোমেইন এর জন্য বিল প্রদান করবে, ততবার আপনি একটি কমিশন ইনকাম করতে পারবেন।
৪. Youtube
এটি খুবই জনপ্রিয় ভিডিও দেখার একটি প্ল্যাটফর্ম। ভিডিও দেখার পাশাপাশি আপনি এখানে ভিডিও বানিয়েও টাকা আয় করতে পারবেন।
কেননা এটি একটি অন্যতম সেরা টাকা ইনকাম করার ওয়েবসাইট।
ইউটিউব থেকে আপনি খুব সহজেই মাসে ২০ হাজার টাকা আয় করা শুরু করতে পারবেন।
এছাড়া আপনার ইনকামকে দিন দিন আরো বাড়িয়ে নিতে পারবেন।
তবে এখানে আপনাকে নিয়মিত ভিডিও আপলোড করতে হবে। ধৈর্য ধরতে হবে ও আপনার দক্ষতার প্রমাণ দিতে হবে।
এই প্ল্যাটফর্ম থেকে আপনার উপার্জিত অর্থ সরাসরি ব্যাংকের মাধ্যমে নিতে পারবেন।
ইউটিউব থেকে আয় করার প্রসেস
১. প্রথমে ইউটিউবে জিমেইল এর মাধ্যমে সাইন ইন করতে হবে।
২. এরপর Youtube Studio থেকে চ্যানেল খুলতে হবে। আপনি যে বিষয়ের উপর ভিডিও বানাবেন সেই বিষয়ে নিয়ে চ্যানেল খুলতে হবে।
৩. আপনার চ্যানেলে নিয়মিত ভিডিও আপলোড করতে হবে।
৪. আপনার চ্যানেলে ৪ হাজার ঘন্টা ওয়াচ টাইম ও এক হাজার সাবস্ক্রাইবার হলে মনিটাইজেশনের জন্য এপ্লাই করতে হবে।
৫. মনিটাইজেশন এপ্রুভাল পাওয়ার পর আপনার ভিডিওতে গুগল এডসেন্সের অ্যাড দেখানোর মাধ্যমে আয় করতে পারবেন।
ইউটিউব থেকে অ্যাডসেন্স ছাড়াও অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে, স্পন্সরশীপের মাধ্যমে, পণ্য বিক্রি করে আয় করতে পারবেন।
রিলেটেডঃ ইউটিউব থেকে আয় করার উপায়
৫. Facebook
এটি একটি অন্যতম সেরা টাকা ইনকাম করার ওয়েবসাইট। যদিও এটি মূলত একটি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম।
এই প্লাটফর্মে আপনি ভিডিও আপলোড করে, ছবি আপলোড করে, কনটেন্ট লিখে আয় করতে পারবেন।
এর জন্য আপনাকে একটি ফেসবুক পেজ খুলতে হবে। ইউটিউবের মতো এখানেও আপনাকে মনিটাইজেশন পেতে হবে।
মনিটাইজেশন অন হয়ে গেলে আপনার কনটেন্ট এর উপরে ভিউ সাপেক্ষে ফেসবুক থেকে টাকা প্রদান করা হবে।
আপনি ফেসবুক থেকে মাসে লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারবেন।
অনেকে এর থেকেও বেশি পরিমাণ টাকা ইনকাম করছেন। তবে শুরুর দিকে আপনাকে অনেক পরিশ্রম করতে হবে ও ধৈর্য ধরতে হবে।
ফেসবুক থেকে আয় করা অর্থ আপনি খুব সহজে ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে তুলতে পারবেন।
ফেসবুক থেকে আয় করার প্রসেস
১. প্রথমত একটি ফেসবুক পেজ তৈরি করতে হবে
২. পেজে সঠিক নিয়মে কভার ফটো ও প্রোফাইল ফটো দিতে হবে।
৩. আপনি যে বিষয়ে কনটেন্ট দিবেন, তার সাথে মিল রেখে পেজের নাম দিতে হবে।
৪. নিয়মিত ভিডিও, ছবি ও কনটেন্ট আপলোড করতে হবে।
৫. মনিটাইজেশন এপ্রুভাল পাওয়ার পর এখান থেকে টাকা ইনকাম শুরু করতে পারবেন।
৬. আপনার ইনকামের টাকা সরাসরি ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে নিতে পারবেন।
এছাড়াও ফেসবুকের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করে, স্টার পাওয়ার মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।
আপনি এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে খুব সহজে অনলাইনে ছবি বিক্রি করে আয় করতে পারবেন।
আপনি আপনার হাতে থাকা মোবাইলের ক্যামেরা দিয়ে ছবি তুলে এই ওয়েবসাইটে আপলোড করে আয় করতে পারবেন।
শুরুর দিকে এই ওয়েবসাইটে আপনি খুব সহজেই প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা আয় করতে পারবেন।
তবে আপনি বেশি পরিমাণ ছবি আপলোড করলে, বেশি বেশি ইনকাম করতে পারবেন।
এখান থেকে আয় করার জন্য আপনাকে অবশ্যই বিভিন্ন মানুষের মানুষ, প্রকৃতি, প্রযুক্তি ইত্যাদি ধরনের ছবি নিয়মিত আপলোড করতে হবে।
এছাড়া ছবির কোয়ালিটি অবশ্যই তাদের ওয়েবসাইটের নির্দেশনা মোতাবেক হতে হবে।
প্রচুর ধৈর্য ধারণ করতে হবে ও কাজে লেগে থাকতে হবে।
আপনার আয় কিছু টাকা আপনি Payoneer এর মাধ্যমে নিয়ে তা বিকাশ, নগদ, রকেট, ফোনপে, পেটিএম ইত্যাদিতে নিতে পারবেন।
500px থেকে ইনকাম করার প্রসেস
১. ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে একাউন্ট খুলতে হবে।
২. এরপর সুন্দর একটি প্রোফাইল তৈরি করতে হবে। প্রোফাইলে ছবি ও বায়ো যুক্ত করতে হবে।
এছাড়া ইমেল ও মোবাইল নাম্বার দিয়ে ভেরিফিকেশন করতে হবে।
৩. আপনার কাছে তোলা সবথেকে ভালো ছবি ওয়েবসাইটে আপলোড করতে হবে।
ছবি আপলোড করার সময় অবশ্যই লোকেশন এবং ট্যাগ সেট করতে হবে।
৪. ছবিগুলো রিভিউতে যাবে, অ্যাপ্রুভাল পেলে আপনার ছবিগুলো বিক্রির জন্য রেডি হবে।
৫. আপনি কি অবশ্যই একটি ট্যাক্স ফরম পূরণ করতে হবে।
৬. আপনার একাউন্টে সর্বনিম্ন ৩০ ডলার হলে আপনি টাকা উইথড্র করতে পারবেন।
রিলেটেডঃ অনলাইনে ছবি বিক্রি করে আয় করার উপায়
FAQ: টাকা ইনকাম করার ওয়েবসাইট
১. অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করার জন্য কি বিনয়োগ করতে হয়?
না, কোন প্রকার ইনভেস্ট বা বিনিয়োগ করতে হয়না। আপনি upwork, fiverr, 500px সাইটগুলিতে ফ্রিতেই যুক্ত হতে পারবেন।
২. অনলাইন থেকে মাসে কত টাকা আয় করা সম্ভব?
এটা আপনার কাজের ধরন ও দক্ষতার উপর নির্ভর করে। আপনি মাসে ১০ হাজার থেকে ১ লাখ+ টাকা ইনকাম করতে পারবেন
৩. অনলাইন থেকে কি মোবাইল দিয়ে আয় করা সম্ভব?
হ্যাঁ অবশ্যই সম্ভব। তবে বিভিন্ন হাই কোয়ালিটি ও বেশি দক্ষতার ফ্রিল্যান্সিং কাজের জন্য কম্পিউটার ব্যবহার করা উত্তম। যেমন- গ্রাফিক্স ডিজাইন, জটিল ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ইত্যাদি।
৪. আয় করা টাকা কিভাবে হাতে পাওয়া যায়?
আপনি আয়কৃত অর্থ সরাসরি ব্যাংক একাউন্ট, Payoneer, Paypal, মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে নিতে পারবেন।
উপসংহার – টাকা ইনকাম করার ওয়েবসাইট
এই ব্লগে আমরা টাকা ইনকাম করার সেরা ৬টি টাকা ইনকাম সাইট সম্পর্কে জানতে পারলাম।
এখানে অনলাইন থেকে আয় করার সবথেকে নির্ভরযোগ্য ও প্রসিদ্ধ সাইট সম্পর্কে বলা হয়েছে।
এই ওয়েবসাইট গুলি থেকে ইনকাম করার ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে ভালোভাবে কাজ শিখে দক্ষ হতে হবে।
এর জন্য প্রয়োজন হলে, ভালোভাবে কাজ শিখে এই সাইটগুলিতে যুক্ত হতে হবে।
আর পরিশ্রম করতে হবে। একসাথে সব সাইটে যুক্ত না হয়ে আপনার পছন্দের যেকোন সাইটে যুক্ত হোন।
একবার ভালোভাবে ইনকাম শুরু হলে, আপনার ইনকাম ভবিষ্যতে বাড়তেই থাকবে।
আপনার পছন্দ হতে পারে এমন আরো পোস্ট


