ফ্রিল্যান্সিং Archives - Asprivate IT ফ্রিল্যান্সিং করে সহজেই নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তোলার একটি বিশ্বস্ত অনলাইন আইটি প্রতিষ্ঠান। Wed, 19 Aug 2026 08:28:06 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1 https://asprivate.com/wp-content/uploads/2024/05/mainlogo-150x150.png ফ্রিল্যান্সিং Archives - Asprivate IT 32 32 ৭টি সেরা বাংলাদেশী ফ্রিল্যান্সিং সাইট https://asprivate.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%bf-%e0%a6%ab%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%82/ https://asprivate.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%bf-%e0%a6%ab%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%82/#respond Wed, 07 Feb 2024 21:32:41 +0000 https://asprivate.com/?p=3938 The post ৭টি সেরা বাংলাদেশী ফ্রিল্যান্সিং সাইট appeared first on Asprivate IT.

]]>

বর্তমানে অনেক বাংলাদেশী ফ্রিল্যান্সিং সাইট আছে যেখান থেকে খুব সহজেই ইনকাম করা যাচ্ছে।

ফ্রিল্যান্সিং পেশা অনেক জনপ্রিয় হওয়ার কারণ হল, আপনি সহজেই যেকোন জায়গা থেকে, যেকোন সময়ে কাজ করতে পারেন। এখানে আপনার কোন বস নেই। আপনি নিজেই নিজের বস।

সারা পৃথিবী জুড়ে ফ্রিল্যান্সিং পেশার বিস্তার ও প্রসার ঘটেছে।

বাংলাদেশও তার ব্যতিক্রম নয়। এদেশেও অনেকেই বাংলাদেশী ফিল্যান্সিং ওয়েবসাইট ব্যবহার করে ফ্রিল্যান্সিং করছেন। আর বেকারত্ব থেকে মুক্তি পেয়ে অনলাইনে ইনকাম করছেন।

পৃথিবীজুড়ে বাংলাদেশী ফ্রিল্যান্সারদের অনেক কদর আছে। এখন এই পেশায় বাংলাদেশ বেশ ভাল অবস্থানে আছে।

ফ্রিল্যান্সিং এর যে কাজগুলি করে খুব ভাল পরিমাণ টাকা ইনকাম করা যায়ঃ

  • কন্টেন্ট রাইটিং 
  • ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট
  • গ্রাফিক্স ডিজাইনার
  • সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার
  • ডাটা এন্ট্রি জব
  • ওয়েব ডেভেলপার
  • ওয়েব ডিজাইনার
  • অনলাইন টিউটর
  • ট্রান্সলেটর
  • ডিজিটাল মার্কেটার
  • ভিডিও এডিটিং
  • এস ই ও ইত্যাদি

ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ করার জন্য আপনাকে সঠিক মার্কেটপ্লেস বেছে নিতে হবে।

বাংলাদেশী ফ্রিল্যান্সিং সাইট

অনেক বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সিং সাইট আছে, যেগুলিতে মোটামুটি ভাল পরিমাণ ইনকাম করা যায়। 

বর্তমানে এই সাইট গুলিতে খুব বেশি পরিমাণ কাজ না পাওয়া গেলেও ভবিষ্যতে এদের অবস্থান অনেক ভাল হবে।

তাই যারা এখন এখানে কাজ করছেন, তারা একসময় প্রচুর টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস কি?

এটি এমন একটি অনলাইন প্লাটফর্ম যেখানে ফ্রিল্যান্সারদের কাজের প্রোফাইল থাকে। এখানে বায়ার বা ক্লায়েটরা তাদেরকে খুঁজে নেয় ও তাদের কাছ থেকে কাজ করিয়ে নেয়। আর বিনিময়ে তারা অর্থ প্রদান করে।

এখানে ফ্রিল্যান্সারেরা টাকা ইনকাম করে। আর বায়াররা টাকা দিয়ে তাদের বিভিন্ন কাজ করিয়ে নেয়। এই রকম অনেক বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সিং সাইট রয়েছে।

যেখানে কাজ করেও ইনকাম করা সম্ভব। তবে এর জন্য আমাদের জানতে হবে কিভাবে সঠিক উপায়ে ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করা যায়।

ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার জন্য কিসের প্রয়োজন?

আপনি যদি বাংলাদেশী ফ্রিল্যান্সিং সাইট থেকে ইনকাম করতে চান, তাহলে আপনাকে কয়েকটি বিষয় মনে রাখতে হবে। আর সেগুলি হলঃ

১. কাজের দক্ষতা

২. কম্পিউটার বা ল্যাপটপ

৩. ইংরেজীতে দক্ষতা

৪. সঠিক মার্কেটপ্লসে

৫. ইন্টারনেট কানেকশন

৬. একটি স্মার্টফোন

৭. প্রবল ইচ্ছাশক্তি

এখন জেনে নিন কয়েকটি Bangladeshi Freelancing websites সম্পর্ক।

সেরা ৭টি বাংলাদেশী ফ্রিল্যান্সিং সাইট

ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার গড়ার জন্য আমাদের সেরা বাংলাদেশী ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট নির্বাচন করতে হবে। এই সেক্টরের অনেকে কাজ মোবাইল দিয়েও করা যায়।

তবে একটা কথা মাথায় রাখতে হবে, ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য কম্পিউটার বা ল্যাপটপ হলে সবথেকে ভাল হবে।

মোবাইল দিয়ে কিছু কিছু কাজ করা গেলেও, কম্পিউটার দিয়েই আপনাকে এই কাজ করা উচিত।

নতুনদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং কিছুটা কঠিন মনে হলেও ধীরে ধীরে দক্ষতা বাড়ার সাথে সাথে তা অনেক সহজ হয়ে যাবে।

এখন এমন অনেক বাংলাদেশী আউটসোর্সিং সাইট হয়েছে। যেই সাইট গুলি থেকে রিয়েল টাকা ইনকাম করা সম্ভব।

দেখে নিন সেরা ৭টি সেরা বাংলাদেশী ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট এর তালিকা। যেখান থেকে আপনি কাজ পেতে পারেন। ওয়েবসাইটগুলি হল-

১. Belancer

২. Shocchol

৩. Dealancer

৪. Outsourcemyjob

৫. Workedbd

৬. Giveawork

৭. Asprivate IT

১. Belancer

বাংলাদেশে সর্ব প্রথম Belancer.com বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সিং সাইট চালু হয়। এই ওয়েবসাইটে আপনি প্রায় সকল ক্যাটাগরির কাজ করে ইনকাম করতে পারবেন। এখানে যেসকল ক্যাটাগরির কাজ পাওয়া যায়-

  • মোবাইল ও ওয়েব অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট
  • গ্রাফিক্স ডিজাইন
  • রাইটিং
  • ট্রান্সলেশন
  • মার্কেটিং
  • ডাটা অ্যানালাইসিস
  • ডাটা এন্ট্রি
  • ভিডিও এডিটিং
  • এসইও ইত্যাদি

এখানে কাজ করার জন্য এই ওয়েবসাইটে যেতে হবে। এরপর sign up বাটনে ক্লিক করে Sign up as Freelancer বাটনে ক্লিক করতে হবে। এরপর আপনার তথ্য দিয়ে এখানে যুক্ত হতে হবে।

আপনাকে এখানে কাজ করার জন্য মোবাইল, ইমেইল ও আইডি অবশ্যই ভেরিফিকেশন করতে হবে।

এরপর আপনাকে আপনার প্রোফাইলটি সাজাতে হবে।

এক্ষেত্রে আপনাকে Edit profile থেকে আপনার ছবি, Overview, ঘন্টাতে কত টাকা নিবেন, email, education, portfolio, skills ইত্যাদি সেট করতে হবে।

এই বাংলাদেশী আউটসোর্সিং সাইট থেকে ইনকাম করার জন্য আপনাকে Browse Project বাটনে ক্লিক করতে হবে। দেখা যাবে, অনেক কাজ পোস্ট হয়েছে।

আপনি আপনার skill বা ক্যাটাগরি অনুযায়ী কাজ পছন্দ করে বিড করতে পারবেন। এরপর কাজ পেলে আপনি এখানে কাজ করে ইনকাম করতে পারবেন।

এই সাইট থেকে আপনার আয়কৃত টাকা Paypal, Bkash এর মাধ্যমে নিতে পারবেন।

২. Shocchol

Shocchol একটি বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সিং সাইট। এই সাইটে আপনি যেকাজ পারেন, তার বিবরণ ও মূল্য দিয়ে এখানে সেট করতে হবে।

এরপর কেউ যদি আপনাকে পছন্দ করে তাহলে সে আপনাকে টাকা দিয়ে আপনার কাছ থেকে কাজ করিয়ে নিবে।

এই বাংলাদেশী ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট এখনো তেমন একটা জনপ্রিয় হয় নাই। তবে ধীরে ধীরে যখন এখানে বায়ার বা ক্লায়েন্ট বেড়ে যাবে, তখন আপনি ভাল পরিমাণ ফ্রি টাকা ইনকাম করতে পারবেন। 

এটি নিরাপদ ও বিশ্বস্থ ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস। এখানে কাজ করার জন্য আপনাকে Register বাটনে ক্লিক করে একাউন্ট খুলতে হবে।

এরপর আপনি যে কাজ পারেন তার টাইটেল, ক্যাটাগরি, ডিস্ক্রিপশন, কাজের মূল্য দিয়ে কাজ সেট করতে হবে।

নির্ধারিত মূল্যে আপনাকে দিয়ে কেউ কাজ করালে আপনি টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

আপনার আয়কৃত টাকা সহজেই বিকাশ, নগদ ও রকেটের মাধ্যমে তুলতে পারবেন।

৩. Dealancer

ফ্রিল্যান্সারদের জন্য Dealancer.com একটা অসাধারণ বাংলাদেশী আউটসোর্সিং সাইট। অনেকেই এই সাইটে কাজ করছেন ও টাকা ইনকাম করছেন। এই সাইটের মডেলটিও Fiverr এর মত।

অর্থাৎ এখানে আপনার স্কিল বা জব বিক্রি করে ইনকাম করতে পারবেন।

এখানে আপনি ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, Google Adsense, Youtube marketing, Facebook marketing, থীম ডেভেলপমেন্ট, গ্রাফিক্স ডিজাইন, রাইটিং ইত্যাদি কাজ করে আয় করতে পারবেন।

এছাড়া এখানে আপনি থীম, ডোমেইন, Seo service বিক্রি করেও ইনকাম করতে পারবেন।

এই সাইটে কাজ করার জন্য Register বাটনে ক্লিক করে একাউন্ট খুলতে হবে।

এরপর post new service অপশন থেকে আপনার service বা আপনি যে কাজ পারেন, তা যোগ করতে হবে।

আপনার কাজের টাইটেল, কাজের মূল্য, ক্যাটাগরি, বর্ণনা, Tags, Faq, ডেলিভারী সময়, কাজের ছবি, extra ইত্যাদি যুক্ত করে একটি Service যুক্ত করতে হবে।

এরপর আপনাকে কোন বায়ার কাজে নিলে আপনি সেই কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে করে জমা দিয়ে এই বাংলাদেশী ফ্রিল্যান্সিং সাইট থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

আপনি আপনার আয় করা টাকা বিকাশ, নগদ, রকেট এর মাধ্যমে তুলতে পারবেন।

৪. Outsourcemyjob

আমরা খুব সহজেই Outsourcemyjob.com বাংলাদেশী ফ্রিল্যান্সিং সাইট থেকে ইনকাম করতে পারি। এখানে প্রায় সকল ক্যাটাগরির কাজ পাওয়া যায়।

যেমনঃ ভার্চুয়াল সহকারী, লোগো ডিজাইন, ডাটা এন্ট্রি, রাইটিং,মার্কেটিং ইত্যাদি।

আপনিও এখানে সাইন আপ করে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে যুক্ত হতে পারেন। এখানে বেশ ভাল অ্যামাউন্টের টাকার ফিক্সড এর কাজ পাওয়া যায়। তবে গত দুই বছর এই সাইটে কোন নতুন কাজ পোস্ট হয়নি।

আপনি এখানে একাউন্ট খুলে রেখে দিতে পারেন। যখন এখানে আবার কাজ পোস্ট হবে, তখন আপনি এখানে কাজে অ্যাপ্লাই করতে পারবেন।

এই সাইটে ১৭ হাজারেও বেশি ফ্রিল্যান্সার যুক্ত হয়েছেন। এটি একটি অন্যতম বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সিং সাইট।

৫. Workedbd

Bangladeshi Freelancing Websites এর মধ্যে Workedbd.com একটি অন্যতম সাইট। এই বাংলাদেশী ফ্রিল্যান্সিং সাইট থেকে মূলত মাইক্রো জব বেশি পাওয়া যায়। অর্থাৎ অল্প বাজেটের কাজ এখান মূলত পাওয়া যায়।

এখানে ইমেইল মার্কেটিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ইত্যাদি কাজ করা যায়

এই মার্কেটপ্লেসে কাজ করার জন্য আপনাকে sign up বাটনে ক্লিক করে একাউন্ট খুলতে হবে।

এরপর আপনার কাজ সেট করতে হবে। বায়ার আপনাকে কাজে নিলে আপনি টাকা ইনকাম করতে পারেন।

এছাড়াও এই ওয়েবসাইট থেকে বিভিন্ন মাইক্রো জব করে ইনকাম করতে পারবেন।

যেমন জিমেইল খোলা, সাইন আপ করা, ক্যাপচা এন্ট্রি ইত্যাদি কাজ করেও আপনি ইনকাম করতে পারবেন।

আপনি আপনার আয়কৃত টাকা বিকাশ, নগদ, রকেটের মাধ্যমে নিতে পারবেন।

৬. Giveawork

Giveawork.com একটি মাইক্রোওয়ার্ক রিলেটেড বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সিং সাইট। এখানে অনেক সহজ ছোট ছোট কাজ করে ইনকাম করা যায়।

এছাড়া এখানে অনেক প্রজেক্ট বেস কাজও আছে। 

কাজ করার জন্য আপনাকে Login বাটনে ক্লিক করে একাউন্ট খুলতে হবে। এরপর কাজ করে ইনকাম করতে পারবেন।

আপনি এই বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সিং সাইটে কাজ করে সহজেই নগদ, বিকাশ, রকেটের মাধ্যমে টাকা হাতে পাবেন।

৭. Asprivate IT

Asprivate.com মূলত একটি আইটি কোম্পানী। আপনি এই কোম্পানী থেকে ফ্রিল্যান্সিং শিখতে পারবেন। যেমন- ডিজিটাল মার্কেটিং, ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ভিডিও এডিটিং, ইমেইল মার্কেটিং, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ইত্যাদি।

তবে আপনি এই আইটি সেন্টার থেকে ফ্রিল্যান্সিং কাজ করে টাকাও ইনকাম করতে পারবেন।

আপনি যদি আর্টিকেল লিখতে পারেন, তাহলে লেখালেখির কাজ করে এই আইটি থেকে মাসে ১৮০০০ টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারবেন।

এছাড়া আপনি যদি ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক্স ডিজাইন, এসইও, ডিজিটাল মার্কেটিং ইত্যাদি ফ্রিল্যান্সিং কাজে অনেক দক্ষ হয়ে থাকেন, তাহলে এই আইটিতে আপনি কাজ করে মাসে ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারবেন।

বাংলাদেশী ফ্রিল্যান্সিং সাইট থেকে মাসে কত টাকা আয় করা সম্ভব?

বেশিরভাগ বাংলাদেশী সাইটগুলি নতুন হওয়ার জন্য এখান থেকে আপনি বর্তমানে খুব বেশি পরিমাণ টাকা ইনকাম করতে পারবেন না।

তবে ভবিষ্যতে এই সাইট গুলি জনপ্রিয় হলে আপনি ভাল পরিমাণের টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

বর্তমানে যেসকল ফ্রিল্যান্সিং সাইটে কাজ করে ভালো পরিমাণ টাকা ইনকাম করা যাচ্ছে, তাদের মধ্য উল্লেখযোগ্য হলঃ

১. Upwork

২. Fiverr

৩. Freelancer

৪. People Per Hour

৫. Guru

৬. Toptal

৭. Jooble

৮. SimplyHired

৯. Guru

১০. LinkedIn

১১. Behance

১২. 99 designs

১৩. Dribbble

১৪. Service Scape

১৫. Designhill

১৬. Task Rabbit

১৭. We Work Remotely

১৮. Flexjobs

১৯. Authentic Jobs

২০. DesignCrowd

২১. Seo Clerks

২২. Truelancer

একটি ভাল ফ্রিল্যান্সিং সাইটের বৈশিষ্ট্য কি কি?

আমাদের মার্কেটপ্লেসে কাজ করার আগে জানতে হবে, সেই ওয়েবসাইটটি ভাল কিনা। কেননা এর উপর আমাদের ইনকাম নির্ভর করে। ভাল সাইটের বৈশিষ্ট্য হল-

১. নিজস্ব মোবাইল অ্যাপঃ একটি ভাল সাইটের নিজস্ব অ্যাপ থাকবে। আর সেই অ্যাপের সাহায্যে কাজ দেখা, কাজে apply, বায়ারের সাথে চ্যাটিং ও কল সুবিধা থাকবে।

২. কাস্টমার সাপোর্টঃ তাদের কাস্টমার সাপোর্ট ব্যবস্থা থাকবে। আপনি কোন সমস্যায় পড়লে ২৪ ঘন্টা সাপোর্টের এর ব্যবস্থা থাকবে।

৩. রিভিও: তাদের ওয়েবসাইটের গুগল রিভিও, Trustpilot রিভিও অবশ্যই অনেক ভাল হবে।

৪. ইন্টারন্যাশনাল কায়েন্ট: অবশ্যই তাদের সারা বিশ্ব ব্যাপী বায়ার থাকবে।

৫. পেমেন্ট মেথডঃ ভাল ও বিশ্বস্থ সাইটের পেমেন্ট মেথড ইন্টারন্যাশনাল হবে। যেমনঃ Wire transfer, Paypal, Payoneer.

৬. ভাল মানের বেশি বাজেটের কাজ ও প্রচুর পরিমাণ কাজঃ একটি আসল ও ভাল মানের ফ্রিল্যান্সিং করে ইনকাম সাইটের বৈশিষ্ট্য হল এদের এখানে প্রতিদিন প্রচুর কাজ পোস্ট হতে থাকবে ও এদের অনেক ভাল বাজেটের কাজ পাওয়া যাবে।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

১. বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং এর সবথেকে ডিমান্ডেবল সেক্টর কোনটি?

বর্তমানে চাহিদা আছে এমন ৫টি ফ্রিল্যান্সিং সেক্টর হল- ডিজিটাল মার্কেটিং, ভিডিও এডিটং, ডাটা এন্ট্রি, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, এসইও।

২. নতুন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য সেরা মার্কেটপ্লেস কোনটি?

ফাইবার (Fiverr), গুরু (Guru), আপওয়ার্ক (Upwork), ফ্রিল্যান্সার (Freelancer), পিউপল পার আওয়ার (People Per Hour).

সেরা বাংলাদেশী ফ্রিল্যান্সিং সাইটগুলি কি কি?

বর্তমানে বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট রয়েছে। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি সাইট হল- Belancer, Shocchol, Giveawork, Workedbd ইত্যাদি।

উপসংহার

আমরা যারা নতুন ফ্রিল্যান্সার আছি, তারা এই দেশীয় সাইটগুলিতে কাজ পাওয়ার চেষ্টা করতে পারি।

যদিও এই সাইটগুলি এখনও তেমন জনপ্রিয় হয়ে উঠতে পারেনি। তবে আশা করা যায়, ভবিষ্যতে এই বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সিং সাইট গুলি থেকে অনেক কাজ পাওয়া যাবে ও অনেক বেশি ইনকাম করা যাবে।

The post ৭টি সেরা বাংলাদেশী ফ্রিল্যান্সিং সাইট appeared first on Asprivate IT.

]]>
https://asprivate.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%bf-%e0%a6%ab%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%82/feed/ 0
ফ্রিল্যান্সিং কোন কাজের চাহিদা বেশি ২০২৬ https://asprivate.com/freelancingkon/ https://asprivate.com/freelancingkon/#respond Mon, 30 Oct 2023 10:31:21 +0000 https://asprivate.com/?p=742 The post ফ্রিল্যান্সিং কোন কাজের চাহিদা বেশি ২০২৬ appeared first on Asprivate IT.

]]>

আজকাল অনেকেই মোবাইলে বা কম্পিউটারে ফ্রিল্যান্সিং করতে চাচ্ছেন। কিন্তু এর আগে ফ্রিল্যান্সিং কোন কাজের চাহিদা বেশি তা জানতে হবে।

এটা জানার পর আপনার ফ্রিল্যান্সিং কাজ শেখা উচিত। কেননা মার্কেটপ্লেস চাহিদা অনুযায়ী কাজ শিখলে কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

আমাদের এটাও জানতে হবে কোন কাজটি খুব সহজে শেখা যায়।

ফ্রিল্যান্সিং এর এমন অনেক কাজ আছে, যাদের চাহিদা আজীবনেও শেষ হবেনা। এই ব্লগে আপনারদের জন্য এমন কয়েকটি ফ্রিল্যান্সিং কাজ নিয়ে আলোচনা করা হবে, যা আপনাদের জানা জরুরী।

আমরা যারা ফিল্যান্সিং করে আয় করছি বা যারা ফ্রিল্যান্সিং করতে চাই, তাদের সকলেরই ফ্রিল্যান্সিং এর সবথেকে ডিমান্ডেবল কাজ গুলি সম্পর্কে জানা উচিত। কেননা এই কাজগুলিতে বায়ারদের আগ্রহ অনেক বেশি থাকে। আর ভবিষ্যতেও তাদের আগ্রহ শেষ হবেনা।

ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলিতে সাধারণত নানা ধরনের কাজ পাওয়া যায়। এই কাজগুলি করে আপনি আপনার ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন। আপনি কম্পিউটার অথবা মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবেন

তবে যারা নতুন, তারা আসলে বুঝতে পারেননা যে কোন কাজ শিখে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবে। অথবা ফ্রিল্যান্সিং কোন কাজের চাহিদা বেশি থাকে।

যে কাজ শিখে সে তার ক্যারিয়ার শুরু করতে পারবে। এই ব্লগে আপনি সেই বিষয়েই বিস্তারিত জানতে পারবেন।

ফ্রিল্যান্সিং কোন কাজের চাহিদা বেশি

Freelancing করার জন্য নানা ধরনের কাজ আছে। ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস গুলিতে ঢুকলেই দেখা যায়, নানা ধরনের ফ্রিল্যান্সিং কাজ।

Freelancing সাইটগুলির মধ্যে খ্যাতনামা সাইটগুলি হল Fiverr, Upwork, Freelancer, People per hour, Guru ইত্যাদি। এই সকল সাইটে কাজের ছড়াছড়ি।

ফ্রিল্যান্সিং কোন কাজের চাহিদা বেশি

কিন্তু সব কাজে তো আর একসাথে পারদর্শী হওয়া সম্ভব নয়। আপনাকে যেকোন একটি অথবা দুইটি কাজ শিখে পারদর্শী হতে হবে। এর জন্য আপনাকে জানতে ফ্রিল্যান্সিং এর সবথেকে ডিমান্ডেবল কাজ সম্পর্কে।

আর এই কাজগুলি সম্পর্কে জেনে, এদের মধ্যে যেকোন একটি বা দুইটি কাজ নির্বাচন করে শেখা শুরু করে দিতে হবে।

কাজ শেখা হয়ে গেলে আপনি বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে একাউন্ট খুলে, কাজে অ্যাপ্লাই করা শুরু করে দিতে পারেন। ফ্রিল্যান্সিং এর ক্ষেত্রে সবথেকে চাহিদা বেশি এমন ৫টি কাজ হল-

  • ডিজিটাল মার্কেটিং
  • ডাটা এন্ট্রি
  • ভিডিও এডিটিং
  • গ্রাফিক্স ডিজাইন
  • ওয়েব ও অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট

১. ডিজিটাল মার্কেটিং

যদি প্রশ্ন করা হয়, ফ্রিল্যান্সিং কোন কাজের চাহিদা বেশি, তাহলে সবার প্রথমে থাকবে ডিজিটাল মার্কেটিং এর নাম। কেননা এই কাজের চাহিদা আকাশছোঁয়া।

ফিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে ডিজিটাল মার্কেটিং এর চাহিদা ও ব্যপকতা সবথেকে বেশি।

তবে ডিজিটাল মার্কেটিং এর কাজ করে ইনকাম করার জন্য আপনাকে এই কাজ ভালভাবে শিখতে হবে।

আর এই কাজেগুলি বিভিন্ন ফিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে ছড়াছড়ি। আর আগামী ২০ বছরেও এর চাহিদা শেষ হবে না।

এটার গভীরতা অনেক বেশি। তাই বলা যায় ফ্রিল্যান্সিং এর সবথেকে ডিমান্ডেবল কাজ হল ডিজিটাল মার্কেটিং।

ডিজিটাল মার্কেটিং কোন একটি নির্দিষ্ট কাজ নয়। নানা ধরনের কাজ ডিজিটাল মার্কেটিং এর আন্ডারে রয়েছে। যে সকল ডিজিটাল মার্কেটিং এর কাজের চাহিদা মার্কেটপ্লেসগুলিতে বেশি তা হল-

  1. এসইও
  2. কন্টেন্ট রাইটিং
  3. অ্যাফেলিয়েট মার্কেটিং
  4. সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং
  5. পে পার ক্লিক

1. এসইও:

ফ্রিল্যান্সিং এর কাজের ক্ষেত্রে এসইও এর ব্যাপক চাহিদা। এসইও মানে হল সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (Search Engine Optimization).

যদি বলা হয়, ফ্রিল্যান্সিং কোন কাজের চাহিদা বেশি তাহলে এটি প্রথমে থাকবে।

কারণ এসইও করে একটি ওয়েবসাইটকে গুগল সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম দিকে নিয়ে আসা যায়।

এতে করে সেই ওয়েবসাইটের ভিজিটর বৃদ্ধি পায়। আর সকল বায়ার চায় তার ওয়েবসাইটের ভিজিটর বৃদ্ধি পাক। আর একটি ওয়েবসাইট বা ব্যবসার মূল শক্তি হল এর ভিজিটর।

আর আপনি যদি এই কাজটি একবার ভালভাবে রপ্ত করতে পারেন। তাহলে আপনাকে আর বসে থাকতে হবে।

আপওয়ার্ক, ফাইবার সহ যেকোন মার্কেটপ্লেসে এই কাজের চাহিদা আকাশ ছোঁয়া। তাই আপনি এই কাজটি শিখতে পারেন।

এসইও এর অনেক কাজ আছে। যা আপনি মোবাইল দিয়েই করতে পারবেন।

2. কন্টেন্ট রাইটিং বা ব্লগ লেখা

আপনি যদি খুব ভাল লিখতে পারেন। আর সেই লেখা যদি এসইও ফ্রেন্ডলি হয়।

তাহলে মার্কেটপ্লেসে আপনার ডিমান্ড হবে অসীম। আর ব্লগ লেখার কাজ আপনি মোবাইল দিয়েই করতে পারবেন।

ফাইবার, ফ্রিল্যান্সার ইত্যাদি মার্কেটপ্লেসে প্রচুর ব্লগ বা আর্টিকেল লেখার কাজ পাওয়া যায়। এই কাজের খুবই কদর। এটাও ডিজিটাল মার্কেটিং এর কাজ। ফ্রিল্যান্সিং এর ক্ষত্রে ব্লগ লেখার কাজের চাহিদা অনেক বেশি।

3. অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং

উন্নত বিশ্বে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কাজের চাহিদা ও ব্যাপকতা অনেক।

বিশেষ করে অ্যামাজন, ইবে এর মত ওয়েবসাইটগুলিতে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কাজ দিয়ে থাকে।

এই কাজটি করা অনেক সহজ। আর প্রচুর চাহিদা। আপনি চাইলেই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শিখে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে পারেন। প্রায় সকল মার্কেটপ্লেসে আপনি এই কাজটি পেয়ে যাবেন।

4. সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং

এই কাজটি করতে যেমন অনেক সহজ। তেমনি এই কাজের কদর অনেক বেশি।

প্রতিদিন বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে নতুন নতুন হজারো সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর কাজ পোস্ট হয়। এটি ফ্রিল্যান্সিং এর সবথেকে ডিমান্ডেবল কাজ এর মধ্যে একটি।

সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর মধ্যে ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম পেজ লাইক, পোস্ট তৈরি, আপডেট ইত্যাদির কাজ রয়েছে। এই কাজগুলি আপনি আপনার মোবাইল দিয়েই করতে পারবেন।

5. পে পার ক্লিক

গুগল ও ফেসবুকে অ্যাড দেওয়ার কাজ হল পে পার ক্লিক।

এই কাজের চাহিদাও অনেক বেশি। উন্নত দেশের বেশিরভাগ বায়ার তার কোম্পানির প্রচারণা করে অ্যাডের মাধ্যমে।

আর এই কাজটি আপনি খুব সহজেই আপনার মোবাইল দিয়ে করতে পারেন। আপনাকে এই কাজটি করার জন্য Facebook Ads ও Google Ads এর কাজ শিখতে হবে।

এই কাজে একবার দক্ষ হয়ে উঠলে আপনার ইনকাম অনেক বেশি হবে। তাই আপনি এই কাজটি শিখতে পারেন।

২. ডাটা এন্ট্রি – ফ্রিল্যান্সিং কোন কাজের চাহিদা বেশি

ফিল্যান্সিং এর কাজ করার ক্ষেত্রে সবথেকে সহজ কাজ হল ডাটা এন্ট্রি। যদি বলা হয়, ফ্রিল্যান্সিং কোন কাজের চাহিদা বেশি তাহলে ডাটা এন্ট্রির নামও থাকবে উপরের দিকে।

আপনি যদি যেকোন প্রসিদ্ধ ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে ডাটা এন্ট্রি লিখে সার্চ করেন। তাহলে এত পরিমাণ ডাটা এন্ট্রির কাজ দেখতে পাবেন। যা চিন্তারও বাইরে।

ডাটা এন্ট্রির মত সহজ কাজ করে অনেকে লাখ টাকা আয় করছেন। ডাটা এন্ট্রির কাজ মানেই যে টাইপিং করা। তা কিন্তু নয়। এখানেও আপনার স্কিল দেখানোর জায়গা আছে।

আপনি এই কাজটি খুব ভালভাবে শিখে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে পারেন। আপনি মোবাইল দিয়েও ডাটা এন্ট্রির কাজ করে স্বাবলম্বী হতে পারেন।

ডাটা এন্ট্রি কাজ করার আগে আপনাকে এক্সেল, স্প্রেডশীট, ওয়ার্ড, পাওয়ার পয়েন্ট, গুগল ডকস ইত্যাদিতে কাজ করা শিখতে হবে। কয়েকটি ডাটা এন্ট্রির কাজ হল-

  • ডাটা মাইনিং
  • কপি পেস্ট
  • ডাটা স্ক্রাপিং
  • পিডিএফ টি ওয়ার্ড
  • ওয়েব অ্যানালাইসিস
  • বিটুবি লিড জেনেরেশন ইত্যাদি

৩. ভিডিও এডিটিং

Video Editing ফ্রিল্যান্সিং এর সবথেকে ডিমান্ডেবল কাজ গুলির মধ্যে একটি। দিন দিন যেমন ভিডিও প্ল্যাটফর্ম ইউটিউব ও ফেসবুকের চাহিদা বাড়ছে।

তেমনি Video Editing এর চাহিদাও বাড়ছে। আগে মানুষ কোন কিছু জানতে গুগলে সার্চ করত।

আর এখন তারা ইউটিউবে সার্চ করে। কেননা এর মাধ্যমে খুব সহজেই যেকোন জানা যায়।

ইউটিউব ও ফেসবুক ভিডিও এর মাধ্যমে মানুষ খরব, বিনোদন, শিক্ষা সবকিছুই পায়।

আর এখান থেকে প্রচুর পরিমাণ টাকা ইনকাম করা যায়।

তাই বায়াররা ভিডিও এডিটিং করাতে চায়। ভিডিও এডিটিং এর কাজও মার্কেটপ্লেসে জনপ্রিয়।

আপনি চাইলে এখন থেকে ভিডিও এডিটিং শুরু করে দিতে পারেন। আর ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার গড়ে নিতে পারেন।

ভিডিও এডিটিং এর কাজ আজকাল অনেক মোবাইল অ্যাপ দিয়ে করা যাচ্ছে। আপনি চাইলে মোবাইলে কিভাবে ভিডিও এডিটিং করতে হয়, তা শিখতে পারেন।

আর ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করা শুরু করতে পারেন। আপনার আয় বাড়তে থাকলে ধীরে ধীরে আপনি আরো এডভ্যান্স এডিটিং করা কম্পিউটার দিয়ে শিখতে পারেন।

৪. গ্রাফিক্স ডিজাইন – ফ্রিল্যান্সিং কোন কাজের চাহিদা বেশি

অনলাইনে গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ কোনদিনও ফুরাবে না। অদূর ভবিষ্যতেও এই কাজের চাহিদা থাকবে। ফ্রিল্যান্সিং কোন কাজের চাহিদা বেশি প্রশ্নে গ্রাফিক্স ডিজাইন থাকতে উপরের কাতারে।

গ্রাফিক্স ডিজাইন এর মধ্যে আছে কভার ডিজাইন, ভিজিটিং কার্ড ডিজাইন। এছাড়া ওয়েবসাইট মোক আপ, লোগো ডিজাইন ইত্যাদি। এই কাজগুলির যে কি চাহিদা। তা মার্কেটপ্লেস থেকে ঘুরে আসলেই দেখতে পারেন।

আপনি এখনই গ্রাফিক্স ডিজাইনকে আপনার ক্যারিয়ার হিসেবে নিতে পারেন।

প্রফেশনালি এই কাজ করার জন্য আপনার একটি কম্পিউটার থাকতে হবে।

তবে অনেক মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে আপনি বুক কভার ডিজাইন, লোগো ডিজাইন। এমনকি ভিজিটিং কার্ড ডিজাইন, কভার ডিজাইন করতে পারবেন। আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ ইউটিউব ভিডিও দেখে শিখতে পারবেন। কয়েকটি গ্রাফিক্স ডিজাইন কাজ-

  • লোগো ডিজাইন
  • গেম ডিজাইন
  • ব্যানার, কভার ডিজাইন
  • প্যাকেজিং ডিজাইন
  • ওয়েবসাইট মকআপ ( Mockup)
  • ডিজিটাল প্রডাক্ট ডিজাইন

৫. ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ও অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট

ওয়েব ও অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট এর কাজ ফ্রিল্যান্সিং এর সবথেকে ডিমান্ডেবল কাজের মধ্যে একটি।

এই কাজের চাহিদা যুগ যুগ ধরেই চলে আসছে। বিশেষ করে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এর কাজের ছড়াছড়ি। আজকাল প্রায় সকল কোম্পানীর জন্য একটি ওয়েবসাইট ও অ্যাপের প্রয়োজন পড়ে।

তাই আপনি এই কাজটি শিখতে পারেন। আর নিজের ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার শুরু করতে পারেন।

ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট কাজের মধ্যে যে কাজগুলির চাহিদা বেশি-

১) সি এম এস ওয়েবসাইট

২) ওয়েবসাইট টেমপ্লেট

৩) ওয়েবসাইট বিল্ডার্স

৪) থীম ও প্লাগিন তৈরি

পৃথিবী যতদিন আছে। ওয়েবসাইট তত দিন থাকবে।

তাই ওয়েব ডেভেলপারের চাহিদাও থাকছে। আর এখন সকল প্রতিষ্ঠান তাদের ব্যবসা প্রসারের জন্য নিজস্ব অ্যাপ বানাচ্ছে। আপনি এই অ্যাপ বানানোটাও শিখতে পারেন।

অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট কাজের প্রচুর চাহিদা। আপনি অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট শিখে প্রতিমাসে ৫ থকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারবেন।

শেষ কথা

আপনি ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে চাচ্ছেন। কিন্তু আপনি অনেক দ্বিধায় আছেন, কিভাবে ও কাজ কাজ শিখে শুরু করবেন? তাহলে আপনাকে জানতে হবে ফ্রিল্যান্সিং কোন কাজের চাহিদা বেশি।

এটা জানার পর আপনাকে যেকোন একটি কাজ খুব ভালভাবে শিখে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করে দিতে হবে।

তবে একটা বিষয় মাথায় রাখতে হবে। আপনি যে কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন, সেই কাজই করবেন।

যেটা করতে আপনার বোর মনে হবে বা ভালো লাগবেনা, সে কাজ না করাই ভাল।

আগে কাজ ভালভাবে শিখুন। তারপর শুরু করুন। তাহলেই আপনি সফল হতে পারবেন।

The post ফ্রিল্যান্সিং কোন কাজের চাহিদা বেশি ২০২৬ appeared first on Asprivate IT.

]]>
https://asprivate.com/freelancingkon/feed/ 0
মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করার সেরা ৯টি কাজ https://asprivate.com/freemobilekora/ https://asprivate.com/freemobilekora/#respond Fri, 27 Oct 2023 20:19:42 +0000 https://asprivate.com/?p=724 The post মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করার সেরা ৯টি কাজ appeared first on Asprivate IT.

]]>

ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে আমরা কমবেশি সবাই জানি। আর মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করার কাজ গুলি সম্পর্কে আমাদের জানা উচিত।

যেহেতু ফ্রিল্যান্সিং একটি স্বাধীন পেশা। তাই এটি ঘরে বসে যেকোন মানুষ যেকোন সময়ে করতে পারেন।

ফ্রিল্যান্সিং যে শুধুমাত্র কম্পিউটারের মাধ্যমেই করা যায়। তা কিন্তু নয়।

আপনি চাইলে ফ্রিল্যান্সিং এর অনেক কাজ আপনার হাতে থাকা স্মার্ট ফোন দিয়েই করতে পারবেন। আর ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

ফ্রিল্যান্সিং এর এমন অনেকে কাজ আছে, যা করতে একটি কম্পিউটার বা ল্যাপটপের প্রয়োজন হয়। আবার এমন অনেক কাজ আছে, যেগুলি করতে একটি স্মার্টফোন হলেই যথেষ্ট। নানা ফ্রিল্যান্সিং সাইট এ আপনি কাজ করতে পারবেন।

এই ব্লগে আমরা মোবাইলে ফ্রিল্যান্সিং করা যায়, এমন কয়েকটি কাজ নিয়ে আলোচনা করব।

কেন মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করা হয়?

আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন। যাদের কম্পিউটার বা ল্যাপটপ কেনার সামর্থ্য নেই।

আবার অনেকে কম্পিউটারের থেকে মোবাইলে কাজ করতে বেশি পছন্দ করেন।

তাদের জন্য মোবাইলে দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করা অনেক আরামদায়ক হয়। আবার মোবাইলে ফ্রিল্যান্সিং কাজ গুলি অনেক সহজ হয়। এই কাজগুলি যেকোন সময়, যেকোন স্থান থেকে করা যায়।

আর আজকাল প্রায় সকল ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসের মোবাইল অ্যাপ রয়েছে। যা দিয়ে সহজেই কাজে অ্যাপ্লাই, কাজ সাবমিট, বায়ার কনভারসেশন করা যায়। এছাড়া মোবাইলের অ্যাপের মাধ্যমে গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন, ডাটা এন্ট্রি, টাইপিং ইত্যাদি কাজ সহজেই করা যায়।

মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং

তবে খেয়াল রাখতে হিবে যে, আপনার মোবাইল ফোনটি যেন অবশ্যই স্মার্টফোন হয়। তাহলেই আপনি মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করার কাজ গুলি করে অনলাইনে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করার সেরা ৯টি কাজ

ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য অনেক অনেক কাজ আছে।

সব কাজই কিন্তু মোবাইল দিয়ে করা যায়না। কিছু কাজ আছে যা কেবল কম্পিউটার দিয়েই করতে হয়। যেমন- গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট ইত্যাদি। যদিও আজকাল এই কাজগুলি মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে করা যায়।

আবার অনেক কাজ আছে যা মোবাইল ও কম্পিউটার উভয় দিয়েই করা সম্ভব।

আপনাকে মোবাইল দিয়ে করা যায়, এই কাজগুলিই বেছে নিতে হবে।

আর এই কাজগুলিই আপনাকে শিখতে হবে।

আপনি চাইলে মোবাইলে ফ্রিল্যান্সিং কাজ গুলি করেও মাসে ৫০ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারবেন। আবার আপনি প্রফেশনালি এই কাজগুলি করতে পারবেন। জেনে নিন এমন সেরা ৯টি কাজ সম্পর্কে-

১. সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং

যেকোন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে এই কাজের অনেক চাহিদা রয়েছে। এর কাজ হল মূলত ফেসবুক, টুইটার, ইন্সটাগ্রাম ইত্যাদিতে ওয়েবসাইট বা পণ্য প্রচারণার কাজ।

এখানে আপনাকে ফেসবুক পেজ তৈরি, পেজ সেট আপ, পোস্ট বুস্টিং, পেজ প্রমোশন, রিলস বানানো, ইন্সটাগ্রাম পোস্ট দেওয়া ইত্যাদি কাজ করতে হয়।

আর এই কাজগুলি আপনি আপনার মোবাইল দিয়ে খুব সহজেই করতে পারবেন।

আর এই কাজ আপনি আপওয়ার্ক, ফাইবার, ফ্রিল্যান্সার সহ বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে সহজেই পাবেন।

২. ইউটিউব মার্কেটিং

মোবাইলে ফ্রিল্যান্সিং করার সহজ একটি কাজ হল ইউটিউব মার্কেটিং। এর মাধ্যমে ইউটিউব চ্যানেলের (Youtube Channel) ভিডিও এর টাইটেল, মেটা, কিওয়ার্ড ইত্যাদি সেট করার কাজ করতে হয়।

এই কাজটি আপনার মোবাইল দিয়ে খুব সহজেই করতে পারবেন।

এছাড়া ইউটিউব চ্যানেল এসইও, হ্যাশ ট্যাগ (#) সেট এই কাজের অন্তর্ভুক্ত।

ফাইবার সহ যেকোন মার্কেটপ্লেসে এই কাজের খুবই চাহিদা। আপনি এই কাজ করে ভাল পরিমাণ টাকা ইনকাম শুরু করে দিতে পারবেন।

৩. ইউটিউব থাম্বনেইল ডিজাইন

ইউটিউবের থাম্বনেইল (Youtube Thumbnail) বলতে বোঝায়, ইউটিউবে প্রতিটা ভিডিওতে আমরা যে ছবি দেখতে পাই সেটা।

এই থাম্বনেইল আপনি আপনার মোবাইল দিয়েই সুন্দর করে ডিজাইন তৈরি করতে পারবেন।

আপনি মোবাইলের বিভিন্ন image editor অ্যাপ দিয়ে সহজেই ইউটিউবের থাম্বনেইল ডিজাইন  করতে পারবেন। আর এটা করা খুবই সহজ।

এই কাজটিও আপনি ফ্রিল্যান্সিং সাইটে করে আয় করতে পারবেন।

৪. ডাটা এন্ট্রি – মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং

আপনি আপনার হাতে থাকা স্মার্টফোন দিয়ে ডাটা এন্ট্রি করে মোবাইলে ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবেন।

এই কাজের চাহিদার কথা বলে শেষ করা যাবে না। আপনি আপনার মোবাইল দিয়ে টাইপিং, ডাটা মাইনিং, স্ক্রাপিং, ট্রন্সক্রাইবিং এর মত সকল কাজ করতে পারবেন।

ডাটা এন্ট্রি (Data Entry) কাজের ব্যপকতা অনেক। অনেকেই আছেন যারা শুধুমাত্র মোবাইল দিয়ে এই কাজ করে মাসে লাখ টাকা আয় করছেন।

৫. আর্টিকেল রাইটিং

যেকোন আর্টিকেল, ব্লগ আপনি আপনার মোবাইল দিয়ে টাইপ করে লিখতে পারবেন। আপনি এই কাজটি শুয়ে বসে করতে পারবেন। মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করার সবথেকে সহজ কাজ হল ব্লগিং করা।

এই কাজের চাহিদাও দিন দিন বাড়ছে।

প্রায় সকল প্রসিদ্ধ ফ্রিল্যান্সিং সাইটে এই কাজ পাবেন। তবে আপনাকে আর্টিকেল লেখার নিয়ম জানতে হবে। আর আপনি আপনার লেখার ক্ষমতা দিয়ে এখানে ভাল করতে পারবেন।

আপনি একটু ধৈর্য্য ও সময় দিলে এই কাজ করে প্রতি মাসে হাজার ডলার আয় করতে পারবেন।

৬. টি শার্ট ডিজাইন

Etsy, Shopify, Wix ইত্যাদি ইকমার্স প্ল্যাটফর্মের জন্য টি শার্ট, হুডি ইত্যাদি ডিজাইনের ব্যপক চাহিদা।

বিভিন্ন মোবাইল সফটওয়ারের মাধ্যমে আপনি ঘরে বসে এই কাজগুলি করতে পারবেন। আর বায়ারকে তা সাবমিট করতে পারবেন।

আপনি Canva, T-Shirt Design Studio ইত্যাদি মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে এটি করতে পারবেন। এই কাজ অল্প পরিশ্রমে বেশি টাকা আয় করার কাজ।

ফাইবার ফ্রিল্যান্সিং সাইটে এই কাজের ব্যাপক চাহিদা। আপনিও চাইলে এই কাজের মাধ্যমে মোবাইলে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে পারেন।

৭. ইমেজ ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভার

যেকোন ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভের কাজও ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলিতে প্রচুর পরিমাণ পাওয়া যায়।

এর মত সহজ কাজ আর একটিও নেই।

আপনি মোবাইলের বিভিন্ন অ্যাপ ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এই কাজটি করতে পারবেন।

আর মোবাইল দিয়ে সহজ এই কাজটি করে আপনি মাসে ২০ হাজার টাকা আয় করতে পারবেন।

৮. লোগো ডিজাইন – মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং

অনেকেই মনে করেন লোগো ডিজাইনের (Logo Design) কাজ শুধুমাত্র কম্পিউটার দিয়েই করা যায়।

কিন্তু তারা ভুল। আপনি আরো সহজে আপনার হাতে থাকা মোবাইল দিয়ে এই কাজ করতে পারবেন।

আপনি মোবাইলের বিভিন্ন অ্যাপ ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে একদম মান সম্মত লোগো বানাতে পারবেন।

এই কাজের চাহিদা কোন দিনও শেষ হবে না। আপওয়ার্ক, ফাইবার, ফ্রিল্যান্সার, গুরু, ৯৯ ডিজাইনস ইত্যাদ ওয়েবসাইটে এই কাজটি পাবেন। আর এটি করে অনেক বেশি আয় করতে পারবেন।

৯. ভিজিটিং কার্ড ডিজাইন

মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করার আরো একটি সহজ কাজ হল ভিজিটিং কার্ড ডিজাইনের কাজ।

অনেক ওয়েবসাইট আছে যারা ভিজিটিং কার্ডের লেআউট থেকে ফ্রিতে কার্ড বানাতে দেয়।

এছাড়া অনেক মোবাইল অ্যাপ আছে। যা দিয়ে ভিজিটিং কার্ড বানানো যায়।

ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস গুলিতে ভিজিটিং কার্ডের চাহিদা অনেক। কারণ সকল ব্যবসাতেই ভিজিটিং কার্ড লাগে।

আপনি মোবাইল দিয়ে এই কাজটি করে আপনার ক্যারিয়ার শুরু করতে পারেন।

শেষকথা

মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করার কাজ করার আগে আপনাকে সেই কাজে খুবই পারদর্শী হতে হবে।

আপনি একসাথে একাধিক কাজেও দক্ষ হতে পারেন। কারণ মোবাইলের কাজগুলি অনেক সহজ হয়ে থাকে।

আপনি যদি সঠিকভাবে কাজ করতে পারেন। তাহলে মোবাইল দিয়েও আপনি ফুল টাইম পেশা হিসেবে ফ্রিল্যান্সিং করতে পারেন।

আর কাজ পাওয়ার জন্য মার্কেটপ্লেসে খুব ভালভাবে একাউন্ট খুলতে হবে। পরিশ্রম করলে সফলতা আসবেই।

The post মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করার সেরা ৯টি কাজ appeared first on Asprivate IT.

]]>
https://asprivate.com/freemobilekora/feed/ 0
ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো? ৩টি সহজ উপায় https://asprivate.com/freelaningkoram/ https://asprivate.com/freelaningkoram/#respond Fri, 27 Oct 2023 09:17:31 +0000 https://asprivate.com/?p=705 The post ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো? ৩টি সহজ উপায় appeared first on Asprivate IT.

]]>

আজকাল ঘরে বসে অনেকেই ফ্রিল্যান্সিং করছে। কিন্তু ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো এটা সবাই জানতে চায়।

অনেকেই মনে করেন, ফ্রিল্যান্সিং কাজ করতে শুধু ডেস্কটপ কম্পিউটার বা ল্যাপটপের প্রয়োজন। আসলে বিষয়টি এমন নয়।

আপনি চাইলে আপনার নিজের মোবাইল দিয়েও ফ্রিল্যান্সিং শিখতে পারেন ও ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা ইনকাম করতে পারেন। তবে মোবাইলটি অবশ্যই স্মার্টফোন হতে হবে।

আমাদের মধ্যে অনেকই আছেন। যারা টাকার অভাবে কম্পিউটার কিনতে পারেন না।

আবার টাকা দিয়ে যে ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ শিখবেন সে অবস্থাও নেই।

অনেকেই ফ্রিল্যান্সিং শেখার ব্যাপারে কোন টাকা ইনভেস্ট করতে চান না।

কারণ তারা মনে করেন ফ্রিল্যান্সিং কাজ অনেক টাকা দিয়ে শিখেও যদি তারা মার্কেটপ্লেসেগুলিতে কাজ না পান। তাহলে পুরো টাকাই নষ্ট হয়ে যাবে।

তবে চিন্তার কিছু নেই। আপনি আপনার হাতে থাকা মোবাইল দিয়েই ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ শিখতে পারবেন।

আবার মোবাইল দিয়ে কাজ করেই লাখ টাকা আয় করতে পারবেন। এখন প্রশ্ন হল কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবো ।

কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবো ?

আপনাকে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার জন্য এর ধাপগুলি মাথায় রাখতে হবে। এর ধাপগুলি হল-

১. ফ্রিল্যান্সিং যেকোন একটি কাজে খুব ভালভাবে দক্ষ হতে হবে। যেমনঃ ডিজিটাল মার্কেটিং, ভিডিও এডিটিং, ডাটা এন্ট্রি, সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং ইত্যাদি।

২. এরপর সেই ফ্রিল্যান্সিং কাজে এর অনেকগুলি পোর্টফোলিও ও ডেমো প্রস্তুত করতে হবে।

৩. বিভিন্ন ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসে একাউন্ট খুলতে হবে। যেমন- Upwork, Fiverr, Guru ইত্যাদি।

৪. আপনাকে মোটামুটি মানের ইংলিশ জানতে হবে। যাতে করে আপনি বায়ারের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারেন।

বায়ার কি কাজ দিচ্ছে তা বোঝার মত ইংরেজী জানা দরকার। আর বায়ারকে আপনার কাজের ব্যাপারে লিখে জানানোর মত ইংরেজী জানতে হবে।

ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো

৫. আপনি ফাইবারে কাজ করলে গিগ খোলা ও কাজে অ্যাপ্লাই করার ব্যাপারে জানতে হবে।

৬. আপনার একটি পেমেন্ট গেটওয়ে প্রস্তুত করতে হবে। অর্থাৎ আপনার আয়কৃত টাকা তোলার জন্য একটি ব্যাংক একাউন্ট, পেওনার একাউন্ট ইত্যাদির ব্যবস্থা করতে হবে।

ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো

কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবো এই প্রশ্নে উত্তর হবে, ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ করতে আগে ভালভাবে কাজ শিখতে হবে।

ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করার জন্য প্রথমে ফ্রিল্যান্সিং খুব ভালভাবে শিখতে হবে।

কেননা ভালভাবে ফ্রিল্যান্সিং না শিখলে কোনভাবেই কাজ পাওয়া যাবেনা।

অথবা কাজ পেলেও তা বায়ারের জন্য তা ভালভাবে করা সম্ভব হবেনা।

যার ফলে কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শিখবো এটি জানা জরুরী। আর সেই সাথে এটাও জানা জরুরী যে, ফ্রিল্যান্সিং এর কোন কাজের চাহিদা বেশি। সেই কাজ শেখা।

আর ভালোভাবে কাজ না শিখলে আপনার ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার নষ্ট হয়ে যাবে। এখন দেখে নিন কি কি উপায়ে Freelancing এর কাজ  শেখা যায়। সাধারণত ৩টি উপায়ে আপনি ফ্রিল্যান্সিং শিখতে পারেন। তা হল-

  1. ফ্রিল্যান্সিং এর কাজের কোন কোর্স করে।
  2. বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং কাজ সম্পর্কে অনলাইনে আর্টিকেল বা ব্লগ পড়ে।
  3. ইউটিউব ভিডিও দেখে।

১. ফ্রিল্যান্সিং কোর্স করে

আমাদের মনে অনেকেরই প্রশ্ন ফ্রিল্যান্সিং কাজ কিভাবে শিখবো।

আপনি হয়তো জেনে থাকবেন, এই কাজ শেখার জন্য অনেক কোর্স আছে। আপনাকে একটি ভাল প্রতিষ্ঠান খুঁজে নিতে হবে।

আর আপনি যে Freelancing কাজটি করতে চান সে কাজটি এমনভাবে শিখতে হবে যেন আপনি সেই কাজে অনেক বেশি দক্ষ হতে পারেন।

এর জন্য আপনাকে একটি ভাল ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ কেন্দ্র খুঁজে নিতে হবে।

আপনি অনলাইনে এইরকম অনেক ট্রেনিং সেন্টার পাবেন। যারা জুম ভিডিও এর মাধ্যমে ও ভিডিও প্রদানের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং শেখায়। আর তাদের ফি অনেক কম।

আপনি অত্যন্ত সুলভ মূল্যে যেকোন Freelancing এর কাজ এর এই কোর্স গুলি করতে পারবেন। অনেক প্রতিষ্ঠান অনেক কোর্স ফ্রিতেও করায়।

আপনাকে আরো একটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে, তা হল যে প্রতিষ্ঠান থেকে আপনি ফ্রিল্যান্সিং শিখছেন, তারা ফ্রিল্যান্সিং রিলেটেড সার্ভিস প্রদান করছে কিনা।

২. আর্টিকেল পড়ে ফ্রিল্যান্সিং শেখা

আপনি যদি আপনার মোবাইল থেকে গুগলে সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করেন, ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো বা কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবো তাহলে অনেক ওয়েবসাইট দেখতে পাবেন।

যারা ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে সব তথ্য আপনাকে দিবে।

এখান থেকে আপনি অনেক কিছুই জানতে পারবেন ও শিখতে পারবেন। আর আপনি যে স্কিল বা দক্ষতার কাজ করতে চাচ্ছেন।

সেটা কিভাবে শিখতে হবে। তা লিখে সার্চ করলে একটি ধারণা পাবেন। সেখান থেকে তা শিখতে পারবেন।

ধরুন আপনি ডাটা এন্ট্রি শিখতে চাচ্ছেন। তাহলে আপনাকে সার্চ করতে হবে, ”কিভাবে ডাটা এন্ট্রি করতে হয়”।

তাহলে আপনি সার্চে হাজার হাজার এই সম্পর্কিত আর্টিকেল দেখতে পাবেন। আপনাকে তখন সেই অনুযায়ী কাজ শিখতে হবে। আর প্রাকটিস করতে হবে।

এভাবে আর্টিকেল পড়ে আপনি ফ্রিতে ফ্রিল্যান্সিং শিখতে পারবেন।

৩. ইউটিউব ভিডিও দেখে ফ্রিল্যান্সিং শেখা

ফ্রিল্যান্সিং শিখে ক্যারিয়ার গড়ার জন্য ইউটিউব (Youtube) এর কোন বিকল্প নেই।

আপনি ইউটিউব ভিডিও দেখে ফ্রিল্যান্সিং শিখে একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হতে পারবেন। ইউটিউব হল ভিডিও এর ভান্ডার।

এমন কিছু নেই। যা ইউটিউব দেখে শেখা যায় না। আপনি আর্টিকেল পড়ে হয়তো অনেক কিছুই বুঝতে পারবেন না।

কিন্তু ইউটিউব ভিডিও দেখে আপনি সব কিছুই বুঝতে পারবেন। আর ইউটিউব থেকে আপনি সম্পূর্ণ ফ্রিতে ফ্রিল্যান্সিং শিখতে পারবেন।

আপনি যদি কোন অনলাইন বা অফলাইন কোর্স করেন। তাহলেও এত কিছু শিখতে পারবেন না। যতটা আপনি ইউটিউব ভিডিও দেখে শিখতে পারবেন।

আপনি যদি ইউটিউবে সার্চ করেন, ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো বা ফ্রিল্যান্সিং কাজ কিভাবে শিখবো তাহলে এগুলির ব্যাপারে লাখ লাখ ভিডিও পাবেন। আর ভিডিও দেখে আপনি Freelancing এর কাজ শিখে নিতে পারবেন।

ধরুন আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে চাচ্ছেন। তাহলে আপনাকে ইউটিউবে সার্চ করতে হবে ‘কিভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং করতে হয়‘।

তখন আপনি এটা নিয়ে অনেক ভিডিও দেখতে পাবেন। আপনি তখন একটার পর একটা ভিডিও দেখতে থাকবেন।

আর নিজে নিজে আপনার মোবাইল দিয়ে প্রাকটিস করতে থাকবেন। এভাবে নিজে নিজে প্রাকটিস করতে করতে একটা সময় আপনি দক্ষ হয়ে উঠবেন।

বিভিন্ন ইউটিউব চ্যানেল খুব সুন্দর করে ফ্রিল্যান্সিং ব্যাপারটা বুঝিয়ে দিয়েছে। আপনি ফ্রিতে সেখান থেকে শিখে নিতে পারবেন।

এছাড়া ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস কি, কিভাবে সেখানে একাউন্ট খুলতে হয়, কিভাবে কাজ খুঁজতে হয়, এই সকল কিছু আপনি ইউটিউব থেকে দেখে শিখে নিতে পারেন।

যে কারণে ইউটিউব ভিডিও দেখে ফ্রিল্যান্সিং শেখা উচিত

উপরের ৩টি উপায়ের মধ্যে আপনি ইউটিউব দেখে ফ্রিল্যান্সিং শেখা শুরু করতে পারেন। কারণ-

১. ইউটিউবের মাধ্যমে আপনি যেমন কাজ সম্বন্ধে জানতে পারবেন। আবার প্রকাটিক্যালি তা দেখতে পারবেন।

২. আপনি বিনামূল্যে ইউটিউবে কাজ শিখতে পারবেন।

৩. বিভিন্ন চ্যানেলের বিভিন্ন ভিডিও দেখে আপনি নিজেকে দক্ষ করে নিতে পারবেন।

৪. যেকোন সময় আপনার পছন্দমত কাজ শিখতে পারবেন।

৫. ভিডিও রেজুলেশন কমবেশি করে দেখতে পারবেন। যাতে করে আপনার মোবাইল ডাটা সেভ হবে।

৬. নিজ দেশীয় চ্যানেলের পাশাপাশি বিদেশী ইউটিউব চ্যানেল দেখেও শিখতে পারবেন।

ইউটিউব দেখে ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো | যা যা শিখবো

আপনি ইউটিউব থেকে কোন প্রকার ঝামেলা ছাড়াই ফ্রিল্যান্সিং এর বিভিন্ন কাজ শিখতে পারবেন। নিচে দেখে নিন আপনি ইউটিউব দেখে ফ্রিল্যান্সিং এর কি কি শিখবেন-

১. আপনি যে কাজ করে ফ্রিল্যান্সিং করে আপনার ক্যারিয়ার গড়তে চান। সেই কাজটি খুব ভালভাবে শেখা। আর সেই কাজে স্কিলফুল হওয়া।

২. ফ্রিল্যান্সিং শেখার পর কিভাবে পোর্টফোলিও করতে হয় তা শেখা।

৩. বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস এ কিভাবে অ্যাকাউন্ট খুলতে হয় তা শেখা।

৪. ফাইবারে গিগ কিভাবে খুলতে হয় তা শেখা।

৫. কাজে অ্যাপ্লাই করার উপায় শেখা ও কিভাবে বায়ারকে কাজ জমা দিতে হয় তা শেখা।

৬. আওয়ারলি ও ফ্রিক্সড প্রাইসের কাজ করার উপায় জানা।

৭. কিভাবে ইংলিশে ম্যাসেজ দিতে হয়। কিভাবে বায়ারের সাথে যোগাযোগ করতে হয় তা শেখা।

৮. আর পেমেন্ট মেথড সেট নিয়ম শেখা।

এই সকল কিছুই ইউটিউব দেখে খুব সহজে একদম ফ্রিতে শেখা সম্ভব।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

নতুনদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং করা কি অনেক কঠিন?

না এটা একদম ঠিক নয়। আপনি যদি কোন কাজে অনেক দক্ষ হোন। তাহলে নতুন হয়েও কাজ পেতে পারবেন। এখানে বায়ার আপনার কাজ দেখে ও ট্যালেন্ট দেখে আপনাকে নিবে।

যদি এমন হত যে শুধু পুরাতনরাই কাজ পায়। তাহলে নতুনরা কোনদিনই আর অ্যাকাউন্ট খুলত না। আর কাজও পেত না।

মোবাইল দিয়ে কি প্রফেশনাল ভাবে ফ্রিল্যান্সিং করা যায়?

হ্যাঁ। আপনি চাইলেই মোবাইল দিয়েই প্রফেশনালি ফ্রিল্যান্সিং করে মাসে লাখ টাকা আয় করতে পারবেন। তবে এর জন্য যে কাজগুলি শুধুমাত্র মোবাইলে করা যায়। সেই কাজগুলি করতে হবে।

মার্কেটপ্লেসে এই রকম কাজের ছড়াছড়ি। তবে সব কাজ মোবাইল দিয়ে করা যায়না। তখন ডেস্কটপ বা ল্যাপটপ কম্পিউটারের প্রয়োজন।

শেষকথা

ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো তা আশাকরি আপনার এখন খুব ভালোভাবেই জানতে পেরেছন।

আপনাকে একটি কথা সব সময় মনে রাখতে হবে যে, Freelancing এর কাজ করার জন্য আপনাকে আগে ভালভাবে কাজ শিখতে হবে। আর এই কাজ আপনি আপনার মোবাইল দিয়ে ইউটিউবের মাধ্যমে শিখতে পারেন।

আর ইউটিউব থেকে ফ্রিল্যান্সিং সংক্রান্ত যাবতীয় সকল কিছুই শিখতে পারবেন। তাই দেরি না করে আজ থেকে ফ্রিল্যান্সিং শেখা শুরু করে দিন।

The post ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো? ৩টি সহজ উপায় appeared first on Asprivate IT.

]]>
https://asprivate.com/freelaningkoram/feed/ 0
ফাইবারে গিগ খোলার নিয়ম জানুন সঠিক উপায়ে https://asprivate.com/fiverr-gig-create/ https://asprivate.com/fiverr-gig-create/#respond Mon, 02 Oct 2023 17:02:28 +0000 https://asprivate.com/?p=343 The post ফাইবারে গিগ খোলার নিয়ম জানুন সঠিক উপায়ে appeared first on Asprivate IT.

]]>

ফাইবারে কাজ পাওয়ার জন্য সঠিকভাবে ফাইবারে গিগ খোলার নিয়ম জানা জরুরী।

আপনার ফাইবার একাউন্টের সফলতা নির্ভর করে এর গিগের উপর।

বিশেষ করে নতুনদের জন্য এটি খুবই গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

যে ফ্রিল্যান্সার যত সুন্দর করে গিগ খুলতে পারে, তার ফাইবারে কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা তত বেশি থাকে।

এই ব্লগে আপনারা জানতে পারবেন, ফাইবার গিগ কি ও ফাইবারে গিগ তৈরীর পদ্ধতি সম্পর্কে।

ফাইবার হল অনেক বড় এবং জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস। এই মার্কেটপ্লেসে প্রচুর পরিমাণ কাজ পাওয় যায়।

আপনি যেকোন কাজে অনেক দক্ষ হলে সহজেই ফাইবার থেকে ইনকাম করতে পারবেন।

ফাইবার গিগ কি?

Fiverr এর গিগ (gig) এর সম্পর্কে সকল ফাইবার ফ্রিল্যান্সারেরা জেনে থাকে।

ফাইবারে প্রোফাইল তৈরি করা হয়ে গেলে গিগ খুলতে হয়।

আপনি যে কাজ পারেন সেই কাজের বর্ণনা, সেই কাজে আপনি কি কি সেবা দিয়ে থাকেন।

আপনার সেই কাজের রেট কত এগুলোর বিস্তারিত করে তথ্য দেওয়াকে গিগ বলে।

ফাইবার গিগ

সহজ কথায় আপনি কি কাজ পারেন। আপনার কাজের রেট কত। এগুলির বিস্তারিত তথ্য দেওয়াকেই গিগ (gig) বলে।

আপনি প্রথম অবস্থায় ফাইবারে একসাথে ২০টি গিগ তৈরি করতে পারেন।

ফাইবারের গিগে কি কি থাকে?

একটি সুন্দর ও আকর্ষণীয় গিগ আপনাকে ফাইবারে কাজ পেতে সাহায্য করবে।

আপনি যদি সঠিকভাবে গিগ খুলতে পারেন। তাহলে ফাইবার আপনার গিগটিকে উপরের দিকে দেখাবে।

দেখে নিন একটি গিগে কি কি থাকে-

  • কাজের টাইটেল
  • ক্যাটাগরি
  • ট্যাগ
  • প্রাইসিং
  • কাজের বর্ণনা
  • বায়ার কি ধরনের প্রশ্ন করতে পারে, সেটার কয়েকটি প্রশ্ন ও উত্তর।
  • গিগের জন্য কয়েকটি ছবি। এর মধ্যে আপনার গিগের ওয়ালে দেখাবে এমন একটি ছবি। আর পোর্টফোলিও এর কয়েকটি ছবি।
  • আপনার কাজের কিছু ভিডিও
  • আপনার কাজের ডকুমেন্ট pdf ফাইল আকারে

সঠিক পদ্ধতিতে ফাইবারে গিগ খোলার নিয়ম

ফাইবারে কাজের অর্ডার পাওয়ার জন্য, এর গিগ আকর্ষনীয় হতে হবে। এর জন্য সঠিক উপায়ে ফাইবারে গিগ তৈরীর পদ্ধতি জানতে হবে। নিচে ফাইবারে গিগ খোলার উপায় দেখে নিন-

১. টাইটেল দেওয়াঃ গিগ তৈরির জন্য প্রথমে গিগ টাইটেল দিতে হবে। টাইটেলে আপনি যে কাজ পারেন তা ৮০ ওয়ার্ডের মধ্যে লিখতে হবে।

২. ক্যাটাগরিঃ গিগের একটি ক্যাটাগরি ও সাব ক্যাটাগরি দিতে হবে।

৩. ট্যাগঃ এরপর আপনার গিগের কাজ রিলেটেড কিছু ট্যাগ দিতে হবে।

৪. প্রাইসিং বা কাজের মূল্যঃ এরপর আপনার গিগের প্রাইসিং দিতে হবে। অর্থাৎ আপনার কাজের জন্য আপনি কত টাকা নিবেন। তার বর্ণনা এতে দিতে হবে।

৫. গিগের বর্ণনাঃ এরপর আপনার গিগের বর্ণনা দিতে হবে। সেখানে আপনি আসলে কি কি পারেন।

আপনি কখন অনলাইনে থাকেন। আপনি কত ঘন্টা কাজ করেন এসকল কিছু বর্ণনা আকারে লিখতে হবে।

৬. FAQ বা কিছু প্রশ্ন ও উত্তরঃ গিগের জন্য FAQ দিতে হবে। এখানে কমপক্ষে ৬ টি FAQ দিলে ভাল। আপনার গিগ সম্পর্কে কিছু প্রশ্ন যা বায়ার আপনাকে করতে পারেন। সেই রকম প্রশ্ন ও উত্তর আপনাকে দিয়ে দিতে হবে।

৭. ছবি ও ভিডিওঃ আপনার গিগের জন্য কিছু ছবি, ভিডিও ও ডকুমেন্ট দিতে হবে। ছবির সর্বোচ্চ সাইজ ৫ mb এর মধ্যে হতে হবে। ছবিগুলির মধ্যে একটি ছবি হতে হবে প্রধান ছবি।

যেখানে আপনার গিগের বর্ণনা থাকবে। আর বাকি ছবিগুলি হতে হবে পোর্টফোলিও ছবি। কমপক্ষে ৫টি ছবি দিলে খুব ভাল হয়। ছবি ১২৮০x769px হলে ভাল হয়।

এরপর একটি ভিডিও সেট করতে হবে। ভিডিওতে আপনার কাজের পোর্টফোলিও দেখাতে হবে। ভিডিও এর সাইজ ৫০ mb এর মধ্যে হতে হবে। আর এটি ৭৫ সেকেন্ডের মধ্যে হতে হবে।

৮. পোর্টফোলিও বা কাজের ডেমোঃ এরপর একটি পিডিএফ ফাইলে আপনার কাজের পোর্টফোলিও গুলি দিতে হবে। পিডিএফের সাইজ ৫০ mb এর মধ্যে হতে হবে।

ফাইবারে গিগ তৈরীর সময় ছবি ও ভিডিও এর সাইজ কত হতে হবে?

গিগ খোলার সময়, এতে ছবি ও ভিডিও যুক্ত করতে হয়। তবে আপনি চাইলে ভিডিও নাও যোগ করতে পারেন। ফাইবার গিগে ছবি ও ভিডিও দেওয়ার সঠিক সাইজ হল-

১. ছবির সাইজঃ ছবির সাইজ মিনিমাম হতে হবে 712x430px। তবে 1280x769px হলে সবথেকে ভাল হয়। আর ছবির সাইজ 50 mb এর মধ্যে হতে হবে।

২. ভিডিও এর সাইজঃ ভিডিও এর সাইজ হতে হবে 50 mb এর মধ্যে। ভিডিওওটি 75 sec এর মধ্যে হতে হবে।

ফাইবার গিগ থেকে কাজ বা order পাবার জন্য যে বিষয় মানলে কাজ পাওয়া নিশ্চিত? – ফাইবারে গিগ খোলার নিয়ম

আপনাকে প্রথমত ফাইবারে গিগ খোলার নিয়ম সঠিকভাবে জেনে গিগ বানানো হবে। আর এতে আপনার কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা তত বেশি হবে। তাই সঠিকভাবে ফাইবার গিগ খুলতে হবে। ফাইবারে গিগ খুলতে যে বিষয়গুলি মনে রাখতে হবে-

১. গিগের ইউনিক টাইটেলঃ ফাইবারের গিগ থেকে অর্ডার পাওয়ার জন্য সর্বপ্রথম দেখতে হবে যে এর টাইটেল যেন ইউনিক হয়। অন্যের গিগের টাইটেল একবারে নকল করা যাবে না।

২. ফোকাস কিওয়ার্ডঃ আপনি যে কাজের উপর গিগ তৈরি করছেন।

তার জন্য একটি প্রধান কিওয়ার্ড থাকতে হবে।

সেই কিওয়ার্ড গিগের টাইটেল, ট্যাগ ও বর্ণনায় থাকতে হবে।

৩. কাজ অনুযায়ী কিওয়ার্ড সেট করাঃ যে যে কাজ এই গিগের জন্য করবেন। তা এর বর্ণনায় কিওয়ার্ড আকারে দিতে হবে।

এই কাজগুলি থেকে প্রধান প্রধান কাজগুলি গিগের টাইটেলে দিতে হবে। প্রাইসিং সেকশনের টাইটেলে আপনার গিগের প্রধান কিওয়ার্ড ও অন্যান্য কিওয়ার্ড দিতে হবে।

৪. FAQ: গিগে অবশ্যই FAQ দিতে হবে। কমপক্ষে ৬ টি FAQ দিলে খুবই ভাল হয়।

৫. গিগের ছবিঃ আপনার গিগের ছবিগুলি অনেক ক্লিয়ার হতে হবে। আর ছবিগুলি ইউনিক হলে ভাল হয়। ছবিগুলি দেখে যেন বায়ারের নজরে আসে। গিগের ছবি ফাইবারে ছবির নীতি অনুযায়ী হতে হবে।

৬. গিগের ভিডিওঃ আপনার গিগের ভিডিওটি অনেক প্রফেশনাল হতে হবে। যাতে করে বায়ার ভিডিও দেখে মনে করে যে আপনি ভালভাবে কাজটি করতে পারবেন।

৭. পোর্টফোলিওঃ গিগে অবশ্যই একটি পোর্টফোলিও এর পিডিএফ (PDF) দিতে হবে। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

উপরের নিয়ম অনুযায়ী গিগ খুললে খুব তাড়াতাড়ি আপনি ফাইবার থেকে কাজ পাবেন। আর আপনার ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার গঠন করতে পারবেন।

উপসংহার

পরিশেষে একটা কথাই বলা যায়। আপনি যদি সঠিক উপায়ে ফাইবারে গিগ খোলার নিয়ম জেনে গিগ খুলতে পারেন।

তাহলে আপনার গিগ র‍্যাংক করবেই। আর তখন আপনি কাজ পাওয়া শুরু করতে পারবেন।

তখন আপনার জন্য সেরা মার্কেটপ্লেস ফাইবারে কাজ করে মাসে লাখ টাকা আয় করা কোন ব্যাপারই হবে না।

The post ফাইবারে গিগ খোলার নিয়ম জানুন সঠিক উপায়ে appeared first on Asprivate IT.

]]>
https://asprivate.com/fiverr-gig-create/feed/ 0
ফাইবার কি? ফাইবার থেকে টাকা আয় করার সঠিক পদ্ধতি https://asprivate.com/earn-money-with-fiverr/ https://asprivate.com/earn-money-with-fiverr/#respond Mon, 02 Oct 2023 12:27:40 +0000 https://asprivate.com/?p=333 The post ফাইবার কি? ফাইবার থেকে টাকা আয় করার সঠিক পদ্ধতি appeared first on Asprivate IT.

]]>

ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস গুলির মধ্যে ফাইবার বেশ জনপ্রিয়। এখন ফাইবার থেকে টাকা আয় করা এখন খুবই সহজ।

আপনি চাইলেই ঘরে বসে অনলাইনে ফাইবার থেকে ইনকাম করতে পারবেন। এই ফ্রিল্যান্সিং সাইট দিন দিন জনপ্রিয় হতেই আছে।

আর ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে বহু লোকের কর্ম সংস্থানের ব্যবস্থা হচ্ছে। ফাইবার প্রায় সকল ক্যাটাগরির কাজ পাওয়া যায়। এখানে অনেকেই ডাটা এন্ট্রি, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ডিজিটাল মার্কেটিং, ওয়েব ডিজাইন ইত্যাদি কাজ করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন।

বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান প্রভৃতি দেশ থেকে বহু মানুষ এখন ফাইবারে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।

ফাইবারের মাধ্যমে টাকা আয়

আপনি যদি যেকোন একটি কাজে খুব ভালভাবে দক্ষ হয়ে থাকেন, তাহলে আপনিও ফাইবার থেকে টাকা আয় করতে পারবেন।

অনলাইনে ইনকাম করার খুবই জনপ্রিয় মাধ্যম এখন ফাইবার। ফাইবারে ফ্রিল্যান্সিং করে ইনকাম করার প্রায় সকল কাজই পাওয়া যায়।

এখানে বিভিন্ন ক্যাটাগরির বিভিন্ন কাজ পাওয়া যায়। এই কাজগুলি পাবার জন্য আপনাকে প্রথমে একটি গিগ খুলতে হবে।

এই ব্লগে আমরা ফাইবার থেকে টাকা আয় করার উপায় সম্পর্কে জানতে পারব।

ফাইবার কি? (What is fiverr in Bangla)

Fiverr হল একটি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস। এটি Upwork বা Freelancer মার্কেটপ্লেসের মত না। এখানে আপনাকে কাজে অ্যাপ্লাই করতে হবেনা।

এখান থেকে বায়ার আপনাকে খুঁজে নেবে। আর আপনাকে দিয়ে কাজ করাবে।

কাজ শেষে আপনাকে টাকা প্রদান করবে। আপনি যদি যেকোন কাজে খুব ভাল দক্ষ হয়ে থাকেন।

তাহলে সেই বিষয়ে আপনাকে ফাইবার গিগ খুলতে হবে।

আপনার গিগ দেখে বায়ার আপনাকে পছন্দ করলে। সে আপনাকে কাজে নেবে। আর কাজ শেষে আপনাকে টাকা প্রদান করবে। এভাবে ফাইবার থেকে টাকা আয় করতে পারবেন।

ফাইবার থেকে টাকা আয় করার জন্য কি কি কাজে দক্ষ হতে হবে?

ফাইবার থেকে ইনকাম করার ক্ষেত্রে আপনাকে যেকোন একটি কাজে খুবই দক্ষ হতে হয়।

তবে এক্ষত্রে আপনি যে কাজই শিখুন না কেন, সেটা খুব ভালভাবেই শিখতে হবে।

আর আপনাকে সেই কাজের পোর্টফোলিও বানাতে হবে।

আর এই কাজগুলি আপনি ইউটিউব ভিডিও দেখে শিখতে পারেন। আর কাজ গুলি ২ থেকে ৩ মাস ধরে খুব ভালভাবে শিখতে হবে।

ফাইবারে কাজের কোন শেষ নেই। তবে যে কাজগুলির ফাইবারে সবচেয়ে বেশি চাহিদা তা হলঃ

  • ডাটা এন্ট্রি
  • ডাটা মাইনিং
  • ওয়েব অ্যানালাইসিস
  • ওয়েব ডেভেলপমেন্ট
  • ভিডিও এডিটিং
  • ওয়েব ডিজাইন
  • এস ই ও
  • গ্রাফিক্স ডিজাইন
  • ইমেইল মার্কেটিং
  • অ্যাফেলিয়েট মার্কেটিং
  • ডিজিটাল মার্কেটিং ইত্যাদি আরো অনেক কাজ।

ফাইবার গিগ (gig) কি?

ফাইবারে আপনি যে কাজ পারেন বা যে কাজে আপনি দক্ষ। সেই কাজের একটি বর্ণনা এখানে সেট করতে হয়।

অর্থাৎ আপনি যে কাজ পারেন, তার বিবরণ ফাইবারে দিতে হয়। এই বিবরণে আপনার কাজের টাইটেল, বর্ণনা, আপনার পারিশ্রমিক, পোর্টফোলিও সবকিছু দিতে হয়।

এই বিবরণকেই গিগ বলে। আর এই গিগ দেখে বায়ার আপনাকে কাজে নেবে। ফাইবারে যে কাজ প্রদান করে তাদেরকে বলে সেলার (Fiverr seller).

ফাইবারের গিগে যা যা সেট করতে হয়?

আপনি যে কাজ পারেন তার টাইটেল, বর্ণনা, ক্যাটাগরি ফাইবারে গিগে সেট করতে হয়।

এছাড়া আপনি আপনার কাজে কত টাকা নিবেন ও কাজের পোর্টফোলিও (Portfolio) গিগে সেট করতে হবে।

এছড়া গিগে আপনাকে একটি আকর্ষণীয় গিগ ইমেজ দিতে হবে।

এই ইমেজ বা ছবি যত ভাল হবে। আপনার কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা তত ভাল হবে। আর আপনি যর কাজ পাবেন, তত আপনি ফাইবার থেকে টাকা আয় করতে পারবেন।

কিভাবে ফাইবারে একাউন্ট খুলতে হয়?

(How to create a fiverr account bangla tutorial).

ফাইবার থেকে আয় করার জন্য সঠিক উপায়ে একটি একাউন্ট খুলতে হবে। নিচে স্টেপ বাই স্টেপ দেখুন কিভাবে ফাইবারে একটি একাউন্ট খুলতে হয়-

১. প্রথমে Fiverr.com এ ঢুকতে হবে। এরপর Join বাটনে ক্লিক করে সাইন আপ করতে হবে।

২. এবার ফাইবারের ড্যাশবোর্ড থেকে উপরের ডান দিকের আইকনে ক্লিক করতে হবে। এখান থেকে আপনার full name, email দিয়ে save changes বাটনে ক্লিক করতে হবে।

৩. এরপর profile থেকে আপনার ছবি, display name ও আপনার সম্পর্কে ১ লাইনে লিখতে হবে। আপনি যে কাজ পারেন সেই রিলেটেড কিছু লিখতে হবে। এরপর update বাটনে ক্লিক করতে হবে।

৪. আপনার কাজের একটি বর্ণনা দিতে হবে।

৫. Language ও social media লিংক দিতে হবে।

৬. Skills থেকে আপনি যে যে বিষয়ে দক্ষ তা দিয়ে দিতে হবে।

৭. Education থেকে আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা। আপনি কোন জায়গা থেকে কাজ শিখে এসেছেন তার তথ্য দিয়ে দিতে হবে। আপনি যেখান থেকে কাজ শিখে এসেছেন। সেখানকার কোন সার্টিফিকেট থাকলে তা দিয়ে দিতে হবে।

৮. এবার become a seller অপশন থেকে আপনার প্রফাইলটি ১০০% সম্পূর্ণ করতে হবে। এর জন্য এখান থেকে আপনার পুরো নাম, ডিস্প্লে নাম, আপনার occupation, personal website(যদি থাকে) দিতে হবে।

এরপর আপনার ইমেইল ও ফোন ফেরিফিকেশন করতে হবে।

৯. এরপর সর্বশেষে আপনি যে যে কাজ পারেন সেই কাজের গিগ (gig) আপনাকে তৈরি করতে হবে।

এখন বায়ার আপনার গিগ দেখে আপনাকে কাজে নেবে ও আপনার টাকা আয় হবে।

ফাইবারে কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে কি কি বিষয় মনে রাখতে হবে?

আপনি যদি ফাইবারে কাজ করেন। তাহলে এখানে কাজ করে একটি ভাল পরিমাণ আয় করা সম্ভব। কারণ ফাইবার হল একটি প্রসিদ্ধ মার্কেটপ্লেস। তবে এখানে কাজ পাওয়ার আগে কিছু বিষয় মনে রাখতে হবে। সেগুলি হল-

১. যেকোন কাজে ভালভাবে দক্ষতাঃ ফাইবারে কাজ পাওয়ার জন্য আপনাকে যেকোন একটি কাজে খুব ভালভাবে দক্ষ হতে হবে।

২. ইউনিক গিগঃ গিগ যেন ইউনিক হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

৩.  ইউনিক গিগ টাইটেল ও বর্ণনাঃ গিগের টাইটেল ও বর্ণনা ভাল হতে হবে।

৪. পোর্টফোলিওঃ গিগে অনেকগুলি পোর্টফোলিও যোগ করতে হবে।

৫. ইউনিক ছবিঃ গিগের ছবি যেন ইউনিক ও সুন্দর হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হয়।

৬. ইংরেজী জানাঃ আপনাকে ইংরেজীতে মোটামুটি ভাল হতে হবে। কারণ বায়ারের সাথে আপনাকে ইংরেজীতে যোগাযোগ করতে হবে।

তাই বায়ার যেন আপনার কথা বুঝতে পারেন। আর আপনি যেন বায়ারের কথা বুঝতে পারেন সেই রকম ইংরেজী জানতে হবে। বায়ারের সাথে আপনাকে ইংরেজীতে ম্যাসেজ আদান প্রদান করতে হবে।

ফাইবারের একজন ফ্রিল্যান্সার কয়টি গিগ খুলতে পারেন?

ফাইবারে একজন এখানে সর্বোচ্চ ২০ টি গিগ খুলতে পারবেন। তবে আপনি ধীরে ধীরে আপনার আয় বাড়ানোর মাধ্যমে আরো বেশি গিগ খুলতে পারবেন। তবে আপনাকে খুব ভালভাবে কাজ করতে হবে।

খেয়াল রাখতে হবে বায়ার যেন আপনার উপর সন্তুষ্ট হয়। আর আপনার কাজে যেন রেটিং ৫ এর মধ্যে ৫ দেয়। আপনার গিগের রেটিং যত ভাল হবে। আপনার পরবর্তী কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা তত বেশি হবে।

ফাইবার থেকে টাকা আয় কি মোবাইল দিয়ে করা সম্ভব?

আপনি চাইলেই মোবাইল দিয়ে আপনার ফাইবারের প্রফাইল ও গিগ তৈরি করতে পারবেন। আর ডাটা এন্ট্রি ও ডাটা মাইনিং এর মত সহজ কাজগুলি মোবাইল দিয়েই করতে পারবেন।

আর ফাইবারের মোবাইল অ্যাপ দিয়ে আপনি সব সময় বায়ারের ম্যাসেজ চেক করতে পারবেন। এছাড়া আপনার গিগের ইম্প্রেশন ও ক্লিক দেখতে পারবেন।

এছাড়া ফাইবারের মোবাইল অ্যাপ দিয়ে আপনি সব সময় কানেক্টেড থাকতে পারবেন। বড় কাজ গুলির ক্ষেত্রে কম্পিউটার ব্যবহার করাই ভাল হবে। তবে মোবাইল দিয়ে ফাইবারের কাজ করতে পারবেন।

ফাইবার থেকে মাসে কত টাকা আয় করা সম্ভব?

ফাইবার মানে হল ৫ ডলার। এখানে সর্বনিম্ন কাজের পারিশ্রমিক হল ৫ ডলার।

কিন্তু এখন অধিকাংশ কাজেই ফাইবারের কাজের রেট সর্বনিম্ন ১০ থেকে ২০ ডলার। আপনি যদি ডাটা এন্ট্রি কাজে দক্ষ হোন।

তাহলে আপনার গিগ রেট হবে সর্বনিম্ন ১০ ডলার থেকে সর্বোচ্চ ৬০ ডলার পর্যন্ত। তাই আপনি যদি ডাটা এন্ট্রি কাজে গড়ে প্রতি গিগ থেকে ৩০ ডলার আয় করেন।

আর আপনি যদি মাসে ১০ টা কাজ পান। তাহলে আপনার মাসিক আয় হবে ৩০০ ডলার বা ৩৩০০০ টাকা।

আর আপনি যদি একজন ওয়েব ডিজাইনার হোন। তাহলে আপনার গড় গিগ রেট হবে ২০০ ডলার।

সেক্ষত্রে আপনি যদি মাসে ১০ টা কাজ করে থাকেন। সেক্ষত্রে আপনার আয় হবে ২০০০ ডলার বা ২ লাখ ২০ হাজার টাকা।

অর্থাৎ এখান থেকে কাজ করে মাসে লাখ লাখ টাকা আয় করা সম্ভব। আপনি চাইলে একাধিক গিগ খুলতে পারেন।

সেক্ষত্রে প্রত্যেকটা গিগ থেকেই তখন টাকা আয় করতে পারবেন। তখন আপনার আয় আরো বেড়ে যাবে।

ফাইবার থেকে কিভাবে টাকা উঠাব?

ফাইবারে কাজ করে কাজ জমা দেওয়ার পর বায়ার আপনাকে টাকা প্রদান করবে। সেই টাকা আপনার একাউন্টে জমা হয়ে থাকনে।

আপনি খুব সহজে Payoneer দিয়ে টাকা উইথড্র করতে পারবেন। এই টাকা Payoneer থেকে সরাসরি আপনার ব্যাংকে বা বিকাশে নিতে পারবেন।

ফাইবার থেকে আয় করা টাকা উঠাতে ফাইবার কত চার্জ করে?

ফাইবার প্রতিটি গিগ থেকে আয়কৃত টাকা থেকে ২০% কেটে নেয়। অর্থাৎ আপনি যদি ফাইবার থেকে ১০০ ডলার আয় করেন, তাহলে ফাইবার আপনাকে দেবে ৮০ ডলার।

তবে ফাইবারের এই ২০% কেটে নেওয়া। আপনার কাছে কিছুই মনে হবেনা, যদি আপনার ইনকাম অনেক বেশি হয়।

উপসংহার

অনলাইনে কাজ করে টাকা আয় করার ক্ষেত্রে ফাইবার খুবই জনপ্রিয় মাধ্যম। বাংলাদেশের অধিকাংশ ফ্রিল্যান্সারেরা এই মাধ্যম থেকে কাজ করে টাকা আয় করে থাকে।

আপনিও চাইলে ঘরে বসে অনলাইন থেকে ফাইবার থেকে টাকা আয় করতে পারেন। তবে একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। আপনাকে খুব ভাল করে জেনে বুঝে কাজ করতে হবে। নতুবা আপনি ফাইবারে ভালো করতে পারবেন না।

The post ফাইবার কি? ফাইবার থেকে টাকা আয় করার সঠিক পদ্ধতি appeared first on Asprivate IT.

]]>
https://asprivate.com/earn-money-with-fiverr/feed/ 0
কিভাবে সঠিক উপায়ে ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করা যায় https://asprivate.com/freelancing-kore-aye/ https://asprivate.com/freelancing-kore-aye/#respond Mon, 25 Sep 2023 14:46:26 +0000 https://asprivate.com/?p=308 The post কিভাবে সঠিক উপায়ে ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করা যায় appeared first on Asprivate IT.

]]>

ফ্রিল্যান্সিং হল একটি মুক্তপেশা। যেকেউ চাইলেই ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করতে পারবেন।

তবে এর জন্য বিভিন্ন কাজে প্রথমে দক্ষ হতে হবে।

Freelancing মোবাইল বা কম্পিউটারের মাধ্যমে করা যায়। আপনি ঘরে বসে পৃথিবীর যেকোন প্রান্ত থেকে করতে পারবেন।

ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য প্রথমে আপনাকে একটি ফ্রিল্যান্সিং সাইট এ যুক্ত হতে হবে। এদেরকে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস বলে।

মার্কেটপ্লেস মানে হল যেখানে কাজ পাওয়া যায়। প্রসিদ্ধ মার্কেটপ্লেসগুলি হল আপওয়ার্ক, ফাইবার, পিওপল পার আওয়ার ইত্যাদি।

ফ্রিল্যান্সিং করতে খুব ভালো দক্ষতা বা স্কিল এর প্রয়োজন পড়ে। এখন মানুষ ফ্রিল্যান্সিংকে একটি ভালো পেশা হিসেবে নিয়েছে। কেননা ফ্রিল্যান্সিং করে আপনি মাসে ফ্রিতে ডলার ইনকাম করতে পারছেন।

ফ্রিল্যান্সিং কি?

Freelancing মানে হল এমন কাজ, যা ঘরে বসেই করা যায়।

ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য আপনার দক্ষতা বা স্কিলের প্রয়োজন পড়ে।

সেই দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে অনলাইনে কাজ করে টাকা ইনকাম করার যায়। এই প্রক্রিয়াকে ফ্রিল্যান্সিং বলে।

ফ্রিল্যান্সিং একটি স্বাধীন পেশা। সাধারণ চাকরির মত এতে কোন কাজের নির্দিষ্ট সীমারেখা নেই। আপনি চাইলে যেকোন সময় কাজ করতে পারেন।

ফ্রিল্যান্সিং করতে বায়ার বা ক্লায়েন্ট আপনাকে কাজ দিবে।

আর আপনাকে সেই কাজ ঘন্টা প্রতি বা ফিক্সড প্রাইজ হিসেবে করতে হবে। এছাড়া সাপ্তাহিক বা মাসিক ভিত্তিতেও ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ করা যায়।

যারা ফ্রিল্যান্সিং করেন, তাদেরকে Freelancer বলে।

এটি হল এক ধরনের ব্যবসা। এখানে আপনি আপনার স্কিল বা দক্ষতাকে বিক্রি করে টাকা ইনকাম করছেন। এই ফ্রিল্যান্সিং ব্যবসা করে অনেকেই খুব ভাল পরিমাণ টাকা আয় করছেন।

আপনি যদি সঠিকভাবে ফ্রিল্যান্সিং করতে পারেন।

তাহলে প্রতিমাসে লাখ লাখ টাকা ফ্রিল্যান্সিং করে ইনকাম করতে পারবেন।

ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য নানা রকম দক্ষতার প্রয়োজন হয়। যেমনঃ ডিজিটাল মার্কেটিং, ডাটা এন্ট্রি, ভিডিও এডিটিং, গ্রাফিক্স ডিজাইনিং, ওয়েব ডিজাইন, টাইপিং ইত্যাদি।

ফ্রিল্যান্সিং করে আয়

ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য কি কি প্রয়োজন?

১. একটি কাজে খুব ভালভাবে দক্ষতা।

২. একটি ল্যাপটপ বা কম্পিউটার ও মোবাইল।

৩. ভালভাবে ইংরেজী জানা।

৪. আপনার কাজের অনেকগুলো স্যাম্পল বা পোর্টফোলিও।

ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য কি কি মার্কেটপ্লেস আছে?

ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য অনেক মার্কেটপ্লেস আছে। এই Freelancing Platform গুলিতে প্রচুর পরিমাণ কাজ পাওয়া যায়। তবে ফ্রিল্যান্সিং সাইট গুলির মধ্যে সবথেকে ভাল মার্কেটপ্লেসগুলো হল:

  • Upwork
  • Freelancer
  • Guru
  • People per hour
  • Fiverr
  • 99designs ইত্যাদি

১) Upwork সহ অন্যান্য মার্কেটপ্লেসে ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করার উপায়

১. কাজের পোর্টফোলিও বা ডেমো তৈরিঃ

Upwork সহ প্রায় সকল মার্কেটপ্লেস গুলোর বৈশিষ্ট্য মূলত একই। এখানে আপনি যেই কাজ পারেন, সেই কাজ আপনাকে খুজে নিতে হবে। এরপর সেই কাজে আপনাকে অ্যাপ্লাই করতে হবে।

অ্যাপ্লাই করার সময় বায়ারকে আপনাকে জানাতে হবে আপনি সেই কাজ পারেন। আপনি যে কাজ পারেন, তার প্রমাণ স্বরুপ আপনাকে ডেমো বা পোর্টফোলিও দিতে হবে।

২. ফিক্সড প্রাইজ বা ঘন্টা হিসেবে কাজ করাঃ

এই মার্কেটপ্লেসে আপনি হলেন ফ্রিল্যান্সার । আর যে কাজ দিবে সে হল বায়ার।

বায়ার যদি আপনাকে পছন্দ করে তাহলে আপনি তার কাজ করা শুরু করে দিতে পারবেন। এখানে ২ ভাবে কাজ করা যায় ঘন্টা হিসেবে অথবা ফিক্সড রেটে।

ঘন্টা হিসেবে কাজ করলে আপনি প্রতি ঘন্টায় টাকা পেতে শুরু করবেন। আর ফিক্সড রেটে কাজ করলে আপনি কাজ জমা দেওয়ার পর টাকা পেতে পারেন। বিভিন্ন কাজের জন্য বিভিন্ন রকমের টাকা দেওয়া হয়ে থাকে।

যেমন আপনি যদি ওয়েব ডিজাইনের কাজ করে থাকেন তাহলে প্রতি ঘন্টা কজের জন্য আপনি ৩০ ডলার থেকে ১০০ ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারবেন। অর্থাৎ তখন আপনি ঘন্টায় ৩০-১০০ ডলার আয় করতে পারবেন।

৩. টাকা তোলার জন্য ব্যাংক একাউন্ট সেট করাঃ

আপনার কাজে আপনাকে অনেক দক্ষ ও অভিজ্ঞ হতে হবে। এই মার্কেটপ্লেসগুলো থেকে আপনি সরাসরি আপনার ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে টাকা তুলতে পারবেন। এছাড়াও আরো নানা মাধ্যমে টকা তুলতে পারবেন।

২) Fiverr মার্কেটপ্লেসে ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করার উপায়

১.গিগ তৈরি করাঃ

Fiverr মার্কেটপ্লেসের বৈশিষ্ট্য কিছুটা ভিন্ন। এখানে আপনাকে গিগ তৈরি করতে হয়। গিগ মানে হল- আপনি যেই সমস্ত কাজ পারেন তার বর্ণনা আকারে তুলে ধরে সেট করা।

এখানে আপনাকে কাজে অ্যাপ্লাই করতে হয় না। বায়ারই আপনাকে আপনার গিগ দেখে খুজে নেবে। আর আপনাকে কাজে নেবে।

২. পোর্টফোলিও তৈরিঃ

গিগ তৈরির সময় আপনাকে আপনার কাজের পোর্টফোলিও সেখানে অবশ্যই সেট করতে হবে। বাংলাদেশে Fiverr সবথেকে জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস। ফাইবার থেকে সহজেই টাকা ইনকাম করতে পারবেন

৩. টাকা তোলার মাধ্যম সেট করাঃ

Fiverr থেকে খুব সহজে টাকা তোলা যায়। এখান থেকে সাধারণত বেশিরভাগ ফ্রিল্যান্সার Payoneer (পেওনার) এর মাধ্যমে টাকা তুলে থাকে।


এক নজরে বিভিন্ন জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেসগুলির কাজের ধরণ ও তাদের পেমেন্ট মেথডঃ

ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস
কাজের ধরণ
পেমেন্ট মেথড
Upwork
ফিক্সড প্রাইজ (Fixed Price), ঘন্টা হিসেবে (Hourly)
ব্যাংক
Freelancer
ফিক্সড প্রাইজ (Fixed Price), ঘন্টা হিসেবে (Hourly)
ব্যাংক
Fiverr
ঘন্টা হিসেবে (Hourly)
পেওনার (Payoneer)
Guru
ফিক্সড প্রাইজ (Fixed Price), ঘন্টা হিসেবে (Hourly), টাস্ক বেসড (Task-based)
ব্যাংক
99 Designs
কন্টেস্ট বেসড (Contest Based) ব্যাংক, পেওনার (Payoneer)
Seo Clerks
ফিক্সড প্রাইজ (Fixed Price)
ব্যাংক, পেওনার (Payoneer)
People Per Hour
ঘন্টা হিসেবে (Hourly)
ব্যাংক, পেওনার (Payoneer)

ঘরে বসে ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করার জন্য কোন কোন কাজে দক্ষ হতে হবে?

ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য কাজের কোন শেষ নেই। আপনি যেকোন একটি কাজ করেও ফ্রিল্যান্সিং ব্যবসা করতে পারেন। আবার একাধিক কাজ করেও করতে পারেন। তবে শুরুতে যেকোন একটি কাজ খুব ভালভাবে শিখে তাতে দক্ষতা অর্জন করতে হবে। খুব ভালভাবে দক্ষ না হয়ে এখানে কাজ শুরু করলে প্রথমেই আপনি সমস্যার মুখে পড়তে পারেন। ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার জন্য যে কাজগুলি আপনি শিখতে পারেন-

  • ওয়েবডিজাইন
  • গ্রাফিক্স ডিজাইন
  • ডাটা এন্ট্রি
  • ওয়েব ডেভেলপমেন্ট
  • এসইও
  • ডিজিটাল মার্কেটিং
  • ভিডিও এডিটিং
  • সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং
  • আর্টিকেল রাইটিং ইত্যাদি

এদের মধ্যে ডাটা এন্ট্রির কাজ সবথেকে সহজ হয়ে থাকে। তবে ডাটা এন্ট্রির কাজে তুলনামূলক ভাবে আয় কম হয়ে থাকে। আর ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, গ্রাফ্রিক্স ডিজাইন, ভিডিও এডিটিং ইত্যাদি কাজে আয় অনেক বেশি হয়।

ফ্রিল্যান্সিং এর কোন কাজ করে সবথেকে বেশি আয় করা যায়?

আপনি যদি অনেক দক্ষ ও অভিজ্ঞ ফ্রিল্যান্সার হয়ে থাকেন। তাহলে আপনার আয় অনেক বেশি হবে। তবে নতুনদের জন্য আয় করা বেশি সম্ভব হয় না। কারণ নতুন ফ্রিল্যান্সারদের বায়ার বেশি টাকায় নিতে চায় না। তাই ধৈর্য্য ধরে কাজ করে যেতে হবে।

আপনার কাজের রেট ধীরে ধীরে এমনিতেই বাড়বে। ওয়েব ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট ইত্যাদি কাজের রেট অনেক বেশি থাকে।

এছাড়া গ্রাফিক্স ডিজাইন, এস ই ও এর মত কাজেও অনেক টাকা আয় করা সম্ভব। তবে ডাটা এন্ট্রির মত সহজ কাজে আয় কিছুটা কম হয়ে থাকে। তবে ডাটা এন্ট্রি কাজের চাহিদা অনেক বেশি থাকে।

কিভাবে মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করা যায়?

ফ্রিল্যান্সিং মোবাইল এবং কম্পিউটার উভয় দিয়েই করা যায়। আপনি যদি ডাটা এন্ট্রি, ডাটা স্ক্রাপিং, ওয়েব অ্যানালাইসিসের কাজ করে থাকেন। তবে মোবাইল বা স্মার্টফোনের মাধ্যমেই করা সম্ভব।

আপনি যদি ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্টের কাজ করে থাকেন। সেক্ষত্রে আপনার একটি কম্পিউটারের প্রয়োজন হবে।

আপনার কম্পিউটার যে অনেক হাই কনফিগারেশনের হতে হবে এমনটি নয়।

একটা মোটামুটি মানের কম্পিউটার বা ল্যাপটপ হলেই হবে। তবে গ্রাফিক্স ডিজাইন বা ভিডিও এডিটিং এর মত কাজে ভালো কনফিগারেশনের কম্পিউটারের প্রয়োজন পড়ে।

মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করতে কিভাবে কাজ শিখব

আপনি চাইলে ঘরে বসে ইউটিউব থেকে ভিডিও দেখে শিখে শুরু করতে পারেন। এক্ষত্রে আপনাকে খুব ভালভাবে প্রাকটিস করতে হবে। এছাড়া অনলাইনে পেইড কোর্স করে শিখতে পারেন। তবে যেই কাজই শিখুননা কেন, আপনাকে খুব ভাল ভাবে শিখতে হবে।

আপনি ৩ মাস থেকে ৬ মাস খুব ভালভাবে কাজ শিখুন। এরপর অনেকগুলি পোর্টফোলিও বানান। এরপর কাজ খোঁজা শুরু করে দিন।

ফ্রিল্যান্সিং করতে কি ইংরেজী জানা লাগে?

যেহেতু বায়াররা ইউরোপ, আমেরিকা বা অন্যান্য দেশের হয়ে থাকে। তাই তাদের সাথে যোগাযোগ করার জন্য ইংরেজী ভাষা জানার দরকার।

ঘরে বসে ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা কি কি লাগে?

ফ্রিল্যান্সিং করতে প্রাতিষ্ঠানিক কোন শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগে না। তবে আপনি মার্কেটপ্লেসে আপনার প্রোফাইল তৈরি করার সময় আপনার সার্টিফিকেট যোগ করে দিতে পারেন। এটা থাকলে দিবেন, না থাকলে দরকার নেই।

ফ্রিল্যান্সিং করে কিভাবে টাকা হাতে পাবো?

১. ভালভাবে যেকোন একটি কাজে দক্ষ হতে হবে।

২. এরপর আপনাকে Upwork, Freelancer, Fiverr ইত্যাদিতে অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে।

৩. আপনার প্রোফাইলে আপনার কাজের পোর্টফোলিও যোগ করতে হবে।

৪. এরপর Upwork, Freelancer, People per hour ইত্যাদি মার্কেটপ্লেসে কাজে অ্যাপ্লাই করতে হবে। আর Fiverr এ গিগ খুলতে হবে।

৫. বায়ার আপনাকে কাজে নিলে তা ঘন্টা হিসেবে বা ফিক্সড প্রাইসে কাজ করতে হবে।

৬. এরপর আপনাকে মার্কেটপ্লেস থেকে ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করা টাকা তোলার জন্য আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, Payoneer ইত্যাদি পেমেন্ট মেথড লাগাতে হবে। এজন্য আগে থেকেই আপনার ব্যাংক একাউন্ট সহ অন্যান্য একাউন্ট থাকতে হবে।

৭. আপনি কাজ করে যে টাকা আয় করবেন। তা আপনার ব্যাংক একাউন্ট বা অন্যান্য একাউন্টে ডলার হিসেবে উইথড্র করতে হবে।

৮. এরপর আপনি আপনার আয়কৃত টাকা ডলার থেকে টাকা হিসেবে হাতে পাবেন।

ফ্রিল্যান্সিং করে প্রতিমাসে কত টাকা আয় করা সম্ভব?

মোবাইলে অথবা কম্পিউটারে ফ্রিল্যান্সিং করে মাসে এক লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারবেন। এমনকি এর থেকেও অনেক বেশি আয় করা সম্ভব। আপনি যতই দক্ষ ও অভিজ্ঞ হতে থাকবেন। আপনার আয় ততই বাড়তে থাকবে। তবে প্রথমদিকে ইনকামের পরিমাণটা কিছুটা কম হবে।

আপনার যদি অনেক কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকে। তখন একটা সময় দেখা যাবে যে, আপনার হয়ত বায়ার খুঁজতে হবেনা। আপনার পুরানো বায়ার বার বার আপনার কাছে এসে কাজ করাতে থাকবে। এতে করে আপনাকে কখনোই বসে থাকতে হবে না।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

১. ফ্রিল্যান্সিং একাউন্ট কিভাবে খুলবো?

আপনি বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটেপ্লসে খুব সহজেই আপনার ইমেইল, মোবাইল নাম্বার দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং একাউন্ট খুলতে পারবেন। কয়েকটি প্রসিদ্ধ ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস হল Upwork, Fiverr, Guru, Freelancer, Peopleperhour ইত্যাদি।

২. ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো?

ঘরে বসে মোবাইল বা কম্পিউটারের সাহায্যে ইউটিউবে ভিডিও দেখে দেখে ফ্রিল্যান্সিং শিখতে পারেন।

এছাড়া আপনি অনলাইনে কোর্স কিনে শিখতে পারেন। এছাড়া বিভিন্ন ভাল মানের আইটি সেন্টার থেকে শিখতে পারেন।

৩. ফ্রিল্যান্সিং কি মোবাইলে করা যায়?

আপনি মোবাইল দিয়েও ফ্রিল্যান্সিং করতে পারেন। তবে ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ দিয়ে আপনি অনেক প্রফেশনাল ভাবে কাজ করতে পারেন। তবে কিছু কিছু কাজ আছে যা মোবাইল দিয়ে খুব সহজেই করা যায়।

আবার কিছু কিছু কাজ আছে, যা মোবাইল দিয়ে করা সম্ভব হয়ন। মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং এর কাজগুলি ভালভাবে শিখে তা মোবাইল দিয়েই করতে পারেন।

৪. ফ্রিল্যান্সিং কোন কাজের চাহিদা বেশি?

বর্তমানে ডাটা এন্ট্রি , গ্রাফিক্স ডিজাইন, ভিডিও এডিটিং, সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, ভার্চুয়্যাল এসিস্টেন্ট, ওয়েব ডিজাইন ইত্যাদি কাজের বেশ চাহিদা।

উপসংহার

আজকাল ফিল্যান্সিং করে আয় করা খুব একটা কঠিন বিষয় না।। আপনি চাইলেই আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের মাধ্যমে খুব সহজে টাকা আয় করতে পারবেন।

তবে অবশ্যই আপনাকে অনেক ভালভাবে কাজ শিখতে হবে। কারণ বায়ার যদি আপনার উপর অসন্তুষ্ট হয়। তাহলে আপনার প্রোফাইল খারাপ হয়ে যেতে পারে।

তখন কাজ পেতে অসুবিধা হবে। তাই অনেক বুঝে দেখে কাজ নিতে হবে আর খুব ভালভাবে কাজটি করতে হবে।

The post কিভাবে সঠিক উপায়ে ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করা যায় appeared first on Asprivate IT.

]]>
https://asprivate.com/freelancing-kore-aye/feed/ 0
ফাইবার মার্কেটপ্লেস কি সেরা? https://asprivate.com/fivermark/ https://asprivate.com/fivermark/#respond Tue, 25 Jul 2023 13:51:40 +0000 https://asprivate.com/?p=40 The post ফাইবার মার্কেটপ্লেস কি সেরা? appeared first on Asprivate IT.

]]>

যারা ফ্রিল্যান্সিং পেশায় আছেন, তারা অনেকেই মনে করেন ফাইবার মার্কেটপ্লেস সেরা। এর অনেক কারণ আছে।

আজকাল ফ্রিল্যান্সারেরা ফাইবারে অনেক বেশি কাজ করে থাকে।

কারণ এখানে অনেক বেশি কাজ পাওয়া যায়। আর আপনি অল্প কাজ শিখেও এখানে কাজ পেতে পারেন।

আবার এখানে কাজ পেতে এক্সট্রা কোন টাকা দিতে হয় না।

আর এটি খুবই জনপ্রিয় একটি মার্কেটপ্লেস। বাংলাদেশী যারা অনলাইনে টাকা আয় করেন, তাদের মধ্যে বেশিরভাগই এখানে কাজ করে থাকেন।

ফাইবারে কাজ করা অনেক সহজ। আর এখানে আপনাকে বায়ারকে খুজতে হয় না। বায়ারই আপনাকে খুঁজে নিবে। আর এখানে আপনি যে কাজ পারেন তার জন্য একটি গিগ তৈরি করতে হয়।

এজন্য আপনাকে অবশ্যই ফাইবারে গিগ খোলার নিয়ম জানতে হবে।

ফাইবার মার্কেটপ্লেস কি আসলেই সেরা?

পৃথিবীতে ফ্রিল্যান্সিং কাজ করা জন্য অনেক মার্কেটপ্লেস আছে। যেমনঃ Upwork, Freelancer.com, Fiverr, People Per Hour, Guru, 99 designs ইত্যাদি। এদের মধ্যে অনেকেই ধারণা করেন ফাইবার সেরা।

কেননা বাংলাদেশের বেশিরভাগ ফ্রিল্যান্সারেরা এই প্ল্যাট ফর্মে কাজ করে। আবার অনেকে ফ্রিল্যান্সিং বলতে ফাইবারকেই বুঝে থাকেন।

ফাইবার ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইটের একটি নিজস্বতা আছে। এই মার্কেটপ্লেসটিকে বায়াররা অনেক বিশ্বস্থ মনে করে। আর এখানে অনেক অল্প মূল্যে বায়াররা তাদের কাজ করিয়ে নিতে পারেন।

অপরদিকে ফ্রিল্যান্সারেরাও এই মার্কেটপ্লেসে খুব তাড়াতাড়ি সফলতা অর্জন করতে পারেন। কারণ, এখানে আপনি ভাল কাজ পারলে, প্রচুর পরিমাণ কাজ পাওয়া যায়।

ফাইবারে যত ভ্যারাইটি ও স্কিলের কাজ পাওয়া যায়, তত কাজ অন্য্যান্য মার্কেটপ্লেসে এত বেশি পাওয়া যায়না। এই কারণে বায়াররা এই মার্কেটপ্লেসের ব্যাপারে এতটাই আগ্রহী। তাই বলা যায়, এই মার্কেটপ্লেসে আসলেই সেরা।

ফাইবার মার্কেটপ্লেস

কেন ফাইবার মার্কেটপ্লেস সেরা?

আমরা বলতে পারি, পৃথিবীর যত ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস আছে, এদের মধ্যে ফাইবার একটি অন্যতম সেরা মার্কেটপ্লেস।

আমাদের দেশের অনেক বেকার তরুণ ও তরুণী এই মার্কেটপ্লেসে কাজ করে নিজেদের ক্যারিয়ার গড়ে নিয়েছে।

বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া ইত্যাদি দেশের লোকজন এখানে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। এখন দেখে নিন, কি কি কারণে ফাইবার মার্কেটপ্লেস সেরা-

 

  1. ফাইবারে প্রচুর পরিমাণ ও বিভিন্ন ক্যাটাগরির কাজ পাওয়া যায়।
  2. এখানে কাজে অ্যাপ্লাই করার ঝামেলা নেই। আপনি কাজের গিগ তৈরি করলে, বায়ার আপনাকে খুঁজে নিবে।
  3. ফাইবারে কাজে অ্যাপ্লাই করতে কোন প্রকার টাকা খরচ করতে হয় না।
  4. এদের ওয়েবসাইট ইন্টারফেস অনেক ব্যবহারযোগ্য।
  5. ফাইবারে একবার কাজ পেলে কাজের অভাব হয় না।
  6. ফাইবার থেকে প্রচুর টাকা আয় করা যায়। আর আয়কৃত টাকা খুব সহজেই উত্তোলন করা যায়।

কিভাবে ফাইবারে অ্যাকাউন্ট খুলতে হয়

১. ফাইবারে অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য আপনার একটি জিমেইল অথবা ফেসবুক অ্যাকাউন্টের দরকার হয়। আপনি খুব সহজে এখান থেকে অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন।

২. অ্যাকাউন্ট খোলার পর আপনার নাম, ডিস্প্লে নাম, ক্যাটাগরি, আপনার কাজের বর্ণনা দিতে হয়।

৩. এরপর আপনার একটি প্রোফাইল পিকচার দিতে হয়। আর আপনার ফোন নাম্বার ভেরিফাইড করতে হয়।

৪. এরপর আপনার প্রফাইলে আপনার সোশ্যাল লিংক দিয়ে, প্রফাইলটিকে ৮০% থেকে ১০০% কমপ্লিট করতে হয়।

ফাইবারে কিভাবে গিগ খুলতে হয়?

ফাইবারের গিগ বলতে বোঝায় যে আপনি যে ক্যাটাগরির কাজ পারেন।

তা প্রজেক্ট আকারে আপনার ফাইবার অ্যাকাউন্টে সেট করা। আপনার এই প্রজেক্টের সকল বর্ণনা ও আপনার কাজের রেট, এই গিগের মাধ্যমে দেওয়া
হয়। গিগ দেখে বায়ার তখন আপনার সার্ভিসটি কিনে বা আপনাকে কাজে নেয়।

দেখে নিন ফাইবারে গিগ খোলার উপায়-

১. ফাইবারে গিগ খোলার আগে আপনার প্রফাইলটি ৮০% কমপ্লিট করে নিলে ভাল হয়।

২. এবার আপনি যে ক্যাটাগরির কাজ পারেন সেই ক্যাটাগরির গিগ খুলতে হয়। ফাইবারের কয়েকটি জনপ্রিয় ক্যাটাগরি হল ডাটা এন্ট্রি, ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক্স ডিজাইন, এস ই ও ইত্যাদি।

৩. গিগ খোলার আগে আপনাকে ভালভাবে কাজ শিখে নিতে হবে।

. এরপর আপনার গিগের টাইটেল, গিগের বর্ণনা, ট্যাগ, ক্যটাগরি, কীওয়ার্ড দিতে হবে।

৫. আপনি আপনার সার্ভিসের জন্য কত টাকা নিবেন ও আপনার গিগের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশ্ন উত্তর সেট করে নিতে হবে।

৬. তারপর আপনার গিগের জন্য একটি দৃষ্টিনন্দন ছবি সেট করতে হবে। যেই ছবির সাইজ ১২৮০*৭৬৯ পিক্সেলের হলে ভাল হয়। এরপর আপনার পোর্টফোলিও আপনার গিগে যোগ করে গিগ পাবলিশ করতে হয়।

এরপর আপনার এই গিগটি ফাইবারে দেখা যাবে। কোন বায়ার যদি আপনাকে পছন্দ করেন, তাহলে সে আপনাকে কাজে নিবে।

আর আপনি তখন সেই বায়ারের কাজ করে ফাইবার মার্কেটপ্লেস থেকে টাকা আয় করতে পারবেন।

এভাবে প্রতিমাসে আপনার আয় বাড়তে থাকবে। এক সময় আপনার আয় মাসে লাখ টাকা ছাড়াবে।

ফাইবারে কোন কোন ক্যাটাগরির কাজ পাওয়া যায়?

ফাইবার একটি অন্যতম সেরা মার্কেটপ্লেস। এখানে প্রায় ৭০০ ক্যাটাগরির কাজ পাওয়া যায়। ফাইবারে পেমেন্ট প্রটেকশন অনেক ভালো।

আপনাকে টাকা হারানো নিয়ে চিন্তা করতে হবেনা। আপনার কোন সমস্যা হলে ফাইবারে ২৪ ঘন্টা সাপোর্টের সুবিধা আছে।

ফাইবারে যেসকল অন্যতম কাজ করে আপনি আপনার ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন-

  • গ্রাফিক্স ডিজাইন
  • ওয়েব ডিজাইন
  • ডাটা এন্ট্রি
  • ডিজিটাল মার্কেটিং
  • ভিডিও এডিটিং
  • ট্রান্সলেশন
  • এসইও
  • ওয়েব ডেভেলপমেন্ট
  • অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট ইত্যাদি।

শেষ কথা

আপনি নির্দ্বিধায় বলতে পারেন, ফাইবার মার্কেটপ্লেস একটি অন্যতম সেরা ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার জায়গা।

নানা স্বকীয় বৈশিষ্ট্যের জন্য এই মার্কেটপ্লেস জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। ফাইবারে কাজ পাওয়া অন্যান্য মার্কেটপ্লেসের তুলনায় কিছুটা সহজ। আর আপনি চোখ বন্ধ করে এখানে কাজ করতে পারেন।

কারণ এদের পেমেন্ট সিস্টেম অনেক নিরাপদ। ফাইবার থেকে বাংলাদেশের প্রচুর রেমিট্যান্স আসে। তাই আপনিও ঘরে বসে ফাইবারে কাজ করে নিজের ক্যারিয়ার গড়তে পারেন।

The post ফাইবার মার্কেটপ্লেস কি সেরা? appeared first on Asprivate IT.

]]>
https://asprivate.com/fivermark/feed/ 0