বগুড়ার গাবতলীতে পান ও জর্দার সঙ্গে বিষ মিশিয়ে শাশুড়ি-ননদকে খাওয়ান ২২ বছর বয়সী পপি বেগম। এর একদিন পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ননদ। তবে এখনো বেঁচে আছেন শাশুড়ি।

এ ঘটনায় গৃহবধূ পপিকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেন গাবতলী থানার ওসি জিয়া লতিফুল ইসলাম।

Advertisement

আটক পপি গাবতলী উপজেলার ধোড়া মধ্যপাড়ার মোজাম্মেল মণ্ডলের ছেলে আল আমিনের স্ত্রী। তার বাবার বাড়ি বগুড়া সদর উপজেলার বুজরুকবাড়িয়া কাজীপাড়ায়। পপির বাবার নাম জহুরুল ইসলাম।

জানা গেছে, আল আমিন-পপি দম্পতির সংসারে আতিকা নামে তিন বছরের একটি মেয়ে রয়েছে। বিয়ের পর থেকেই বউ ও শাশুড়ির মধ্যে মনোমালিন্য চলছিল। গত মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে শাশুড়ি রাশেদা বেগমকে হত্যার উদ্দেশ্যে পান ও জর্দার সঙ্গে ইঁদুর মারার বিষ মিশিয়ে দেন পপি। পান খাওয়ার পর অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। পরে তাকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়। মায়ের অসুস্থতার খবর পেয়ে পরদিন সকালে দেখতে আসেন মেয়ে (ননদ) সখি বেগম। মাকে দেখতে এলে তাকেও গালিগালাজ করেন পপি। একপর্যায়ে ননদকেও একইভাবে পান খাওয়ান।

এরপর গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন সখি। বুধবার বিকেলে তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে রাত সাড়ে ১০টার দিকে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় শুক্রবার গাবতলী থানায় মামলা করেন অভিযুক্ত গৃহবধূর স্বামী আল আমিন।

গাবতলী মডেল থানার ওসি জিয়া লতিফুল ইসলাম জানান, শুক্রবার অভিযুক্ত পপি বেগমকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ভারতীয় সিরিয়াল দেখে পপির মাথায় এ ধরনের দুষ্টু বুদ্ধির উদয় হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Advertisement