ব্রনের সমস্যায় ভুগেনি এমন কথা আমাদের মধ্যে কেউ বলতে পারবে না। ১২ বছরের পর কিংবা বয়স যখন ১৪ হয় তখন কম বেশি সবাই এই ব্রনের সমস্যায় ভুগে থাকে। তবে এই বয়সন্ধি কাল পেরিয়ে আসার পর অনেকের এই ব্রনের মত বাজে সমস্যায় ভুগতে হয় না কিন্তু অনেকে ক্ষেত্রে এই সমস্যা একবার শুরু হলে আর শেষ হতে চায় না। 

আমাদের মধ্যে অনেকে মনে করেন যে ঠিক মত ঘুম না হলে কিংবা অতিরিক্ত ভাঁজা পোড়া খেলে কিংবা ওষুধ খেলে সাধারণত এই ব্রনের সমস্যা হয় কিন্তু বাস্তবিক অর্থে এই ধারনা গুলো পুরোপুরি সত্যি না। ঘুম কিংবা খাওয়া দাওয়া কিংবা ওষুধ, এই বিষয় গুলো আমাদের শরীরের উপর নানা ধরনের প্রভাব ফেললেও যে শুধুমাত্র এই কারণগুলো আমাদের ত্বকের ব্রনের সমস্যার জন্য দায়ী তা নয়।

আমাদের ত্বকের নিচে রয়েছে সিবাম গ্রন্থি, এই সিবাম গ্রন্থি আমাদের ত্বকের তেল উৎপাদন করে যার জন্য আমাদের ত্বক তৈলাক্ত হয়। সবার ত্বকের এই সিবাম গ্রন্থি একই ভাবে কাজ করে না যার জন্য আমাদের সবার ত্বকের ধরন সমান হয় না, কারও ত্বক হয় হালকা তৈলাক্ত, কারও হয় মাঝারি আবার কারও হয় অতিরিক্ত বা শুষ্ক। এটি একটি খুব স্বাভাবিক প্রক্রিয়া যা সবার ত্বকে হয়ে থাকে কিন্তু সমস্যা হয় তখন যখন আমাদের ত্বকে জীবাণু লেগে কিংবা অন্য ধুলা ময়লা কিনবা অতিরিক্ত মেকআপ লেগে এই সিবাম গ্রন্থির মুখ বন্ধ করে ফেলে, তখন এই তেল বের হয়ে না আসতে পেরে সেই যায়গায় ব্রন তৈরি করে।

ব্রন এই সমস্যা থেকে দূর করতে সবার আগে আমাদের যা করতে হবে তা হল, আমাদের কে আমাদের মুখ সব সময় পরিষ্কার রাখতে হবে। এর জন্য প্রতিদিন কমপক্ষে দুই বার ভাল মানের কোন ফেসওয়াস ব্যনবহার করে মুখ পরিস্কার করতে হবে। এই মুখ পরিষ্কার করার পর অবশ্যই মুখে হালকা করে গোলাপজল লাগিয়ে নিতে হবে।

আর সেই সাথে প্রতিদিন মুখে কাচা হলুদ ও নিম পাতার প্যাক লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে। এরপর মুখে সম্ভব হলে এলভেরা জেল লাগিয়ে নিতে হবে।