বারবার বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছিল প্রেমিকা। তবে রাজি না প্রেমিকের পরিবার। এ কারণে রাতের অন্ধকারে স্কুলছাত্রী প্রেমিকাকে কৌশলে ভুট্টাক্ষেতে ডেকে নিয়ে প্রথমে ছুরি দিয়ে পেটে ও গলায় আঘাত করে হত্যা করে। পরে মৃত্যু নিশ্চিত করতে রশি পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ ও লাশে আগুন ধরিয়ে দেয় কিশোর প্রেমিক আপন।

বৃহস্পতিবার গ্রেফতার হওয়ার পর আদালতে জবানবন্দিতে এভাবেই হত্যার গা শিউরে ওঠা বর্ণনা দেয় ওই কিশোর। এদিন দুপুরে নিজ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার খাইরুল আলম।

Advertisement

এর আগে, বুধবার (১৪ জুলাই) বিকেলে কুষ্টিয়া-মেহেরপুর আঞ্চলিক সড়কের মিরপুর পৌরসভার ভাঙাবটতলা এলাকার ভুট্টাক্ষেত থেকে ওই স্কুলছাত্রীর পোড়া লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই ঘটনায় তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে নিহতের প্রেমিককে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত ওই কিশোর মিরপুর পৌরসভার কুরিপোল গ্রামের বাসিন্দা।

পুলিশ সুপার বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রধান আসামি আপনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে সে হত্যার কথা স্বীকার করেছে।

ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক জানান, নৃশংসভাবে নির্যাতন করে ওই কিশোরীকে হত্যা করা হয়েছে। শরীরের বিভিন্ন জায়গায় একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এমনকি হত্যার পর শরীর পোড়ানোও হয়েছে। গলায় রশি প্যাঁচানো ছিল। নিহত কিশোরীকে ধর্ষণও করা হয়ে থাকতে পারে। এমন কিছু বিষয় লক্ষ্য করা গেছে। এ নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন দেওয়া হবে।

Advertisement