যার ব্রণ হয়, সেই জানে এর জ্বালা কি। কারণ একবার ব্রণ হলে কেন জানি সহজে আর ভাল হতে চায় না। আবার অনেকের শীতের সময় ব্রণের উপদ্রব বাড়ে। কি কারণে ব্রণ হয় তার সঠিক কারণ বিজ্ঞানীদেরও ভাল করে জানা নেই। তবে বয়ঃসন্ধিকালে এর প্রাদুর্ভাব সবথেকে বেশি হয়। আর ব্রণ হলে আমরা সাধারণত মুখ লুকানোর চেষ্টা করি, কারণ তখন আমাদের নিজেদের খুব ছোট মনে হয়। কিন্তু খুব সহজেই ঘরোয়া উপায়ে খুব এই ব্রণ ভাল করা যায়। এর জন্য ডাক্তারের কাছে যাওয়ারও প্রয়োজন নেই।

ব্রণ হলে কি করতে হবে দেখে নেইঃ

Advertisement

ব্রণ হলে সেই ব্রণ ঘন ঘন হাত দিয়ে খোটলানো যাবেনা। এতে ঐ স্থানে বিশ্রী দাগ হয়ে যায়। এছাড়া সেখানে ইনফেকশনও হতে পারে।

নিমপাতা ও অ্যালোভেরা

ব্রণের চিকিৎসায় সবথকে কাজে দেয় নিমপাতা। কয়েকটি নিমপাতা বেটে এর সাথে ১ চামচ অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে সেটি ব্রণের উপর লাগিয়ে রাখতে হবে। ৫-৬ ঘন্টা এভাবে লাগিয়ে রেখে ভাল কোন ফেশ ওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে। এভাবে প্রতিদিন করলে ব্রণ ভাল হয়ে যাবে। কারণ নিম ও অ্যালোভেরাতে রয়েছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও জীবানু নাশক উপাদান যা ব্রণ ভাল করতে খুব ভাল কাজে দেয়।

মধু ও দারুচিনি

১ চামচ মধু ও সামান্য কিছু দারুচিনির গুড়া একসাথে মিশিয়ে এটি ব্রণের উপর লাগিয়ে রাখতে হবে। ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলতে হবে। মধু ও দারুচিনি ত্বকের ব্যাকটেরিয়ার সাথে যুদ্ধ করে। এভাবে সপ্তাহে ৩ দিন করা যেতে পারে।

ব্যায়াম করা

নিয়মিত ব্যায়াম করাও ব্রণ ভাল হতে সাহায্য করে। তাই নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে।

ময়েশ্চারাইজিং

শীতের সময় ত্বক সবসময় ময়েশ্চারাইজ রাখতে হবে। এর জন্য অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করতে হবে। এছাড়া সকালে ঘুম থেকে উঠে একটি ভাল মানের টোনার মুখে তুলার সাহায্যে দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে। এরপর ৫ মিনিট পর ত্বকে অ্যালোভেরা জেল মেখে ত্বক ময়েশ্চারাইজ রাখতে হবে।

মানসিক চাপ

কখনোই মানসিক চাপ নেওয়া যাবেনা। মনে রাখতে হবে ব্রণ শুধু আপনার একার হয়না। প্রতি হাজারে ২০০ জনের ব্রণের সমস্যা হয়। তাই টেনশন না করে তা দূর করার ব্যবস্থা করতে হবে।

পরিষ্কার থাকা

সবসময় পরিষ্কার থাকতে হবে। বালিশ বেডসীড এগুলো নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে। নিজের ব্যবহৃত গামছা বা তোয়ালে নিজে ছাড়া অন্য কাউকে ব্যবহার করা যাবেনা।

ব্রণ ভাল করার উপসংহারে বলা যায়ঃ

পরিষ্কার থাকতে হবে, ব্রণে হাত দিয় খোটলানো যাবেনা, ত্বক সবসময় ময়েশ্চারাইজ রাখতে হবে, নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে, কখনোই মানসিক চাল নেওয়া যাবেনা, ব্রণ ভাল করতে নিমপাতা ও অ্যালোভেরার মিশ্রন লাগাতে হব। আর দারূচিনি ও মধুর মিশ্রণ লাগাতে হবে।

Advertisement