খেজুর খুবই সুস্বাদু একটি ফল। সাধারণত খেজুর গাছ মরুভুমি অঞ্চলে, বিশেষ করে আরব দেশগুলিতে বেশি হয়ে থাকে। এই ফলটি সাধারণত ড্রাইফ্রুট হিসেবে খাওয়া হয়। বাংলাদেশেও খেজুর গাছ হয়। তবে এটি এদেশে গাছ থেকে রস বের করে খাওয়ার প্রচলন বেশি। কারণ এদেশের খেজুরের আকৃতি খুব একটা বড় হয়না বা এর শ্বাস খুব একটা হয়না। প্রতিদিন মাত্র ২ টি করে খেজুর খেলে এটির যা উপকার পাওয়া যায়, তা বলে শেষ করা সম্বভ নয়। আমাদের দেশে যেকোন ফলের দোকানে বিভিন্ন প্রজাতির খেজুর পাওয়া যায়, যা বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়। এই ফলের কি কি গুন আছে দেখে নিন-

খেজুরে রয়েছে ভিটামিন, মিনারেল, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফাইবার সহ নানা উপকারি পদার্থ।। আর এটি এন্টি অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। খেজুরের প্রধান উপাদানের একটি হল কার্ব আর অন্যটি হল প্রোটিন।

ADVERTISEMENT

খেজুরে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার থাকায় এটি খেলে আমাদের হজম প্রক্রিয়া উন্নত হয়। যার ফলে যাদের কৌষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা আছে, তাদের জন্য খেজুর খুবই উপকারি।

খেজুর আমাদের শরীরের ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখে। এছাড়া এর এন্টি অক্সিডেন্ট বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

খেজুর একটি প্রাকৃতিক সুগার হিসেবে। কাজ করে। সাধারণ চিনি আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক ক্ষতিকর। কিন্তু খেজুরের মধ্যে থাকা ফ্রুক্টোজ আমাদের শরীরের কোন ক্ষতি করে না। বিভিন্ন খাবারে চিনির বদলে খেজুর দিয়ে
খাওয়া যেতে পারে।

খেজুর আমাদের ব্রেণের বিকাশ ঘটায়। এছাড়া এটি গর্ভবতি নারিদের জন্য খুবই দরকারি। খেজুর খেলে আমাদের কিডনি ভাল থাকে। আর ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে।

খেজুরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ আয়রণ যা আমাদের শরীরের রক্ত সঞ্চালন ঠিক রাখে। আর ঠিক মত রক্ত সঞ্চালন আমাদের মাথার স্ক্যল্পকে ঠিক রাখে। এতে স্ক্যাল্পে সঠিকভাবে অক্সিজেন প্রবাহিত হয়, যা চুলের বৃদ্ধিতে সহায়ক ভুমিকা পালন করে থাকে। এছাড়া এটি নিয়মিত খেলে চুল পড়া কমে।

খেজুরে রয়েছে ভিটামিন সি ও ডি। যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে থাকে।