কুড়িগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় তিস্তার পানি কমলেও এখনও বিপৎসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে। অপরদিকে ব্রহ্মপুত্রের পানি রয়েছে স্থিতিশীল। এ দুটি নদ-নদীর অববাহিকার অর্ধশত চরের নিচু এলাকা প্লাবিত রয়েছে। ডুবে গেছে পাট, বীজতলা, আমন ও সবজি ক্ষেত। 

এদিকে তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র, দুধকুমার ও ধরলার ৪০টি পয়েন্টে ভাঙন তীব্র রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহে এসব এলাকায় দেড় হাজার পরিবার নদী ভাঙনের শিকার হয়েছে। বাঁধ, রাস্তা ও ফাঁকা জায়গায় আশ্রয় নিয়েছে এসব পরিবার।

Advertisement

তিস্তার ভাঙনে রাজারহাটের খিতাবখা, গতিয়াশাম, বুড়িরহাট, গাবুরহেলানসহ কয়েকটি গ্রামের শতাধিক পরিবার গত তিনদিনে ভিটেমাটি হারিয়েছে। ভাঙনের তাণ্ডবে টিকতে না পেরে আধাপাকা বাড়ি ভেঙে ফেলছেন অনেকেই। আশ্রয়ের অভাবে অনেকের ঘরের চাল ছড়িয়ে আছে ফাঁকা জমিতে। কেউ কেউ চলে যাচ্ছে চরে। খিতাবখা ও বগুড়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় যে কোন সময় ভেঙে যেতে পারে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সুত্রে জানা গেছে, ২০টি পয়েন্টে পানি উন্নয়ন বোর্ড জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করছে।

Advertisement