রাত জাগা প্রায় প্রতিটি মানুষের একটি বদ অভ্যাসে পরিণত হচ্ছে। বিশেষ করে যারা শহরে থাকেন, তাদের মধ্যে এই প্রবণতা অনেক বেশি পরিমাণ দেখা যাচ্ছে। রাত জাগার অপকারিতা বলে শেষ করা যাবে না। নানা কারণে মানুষ রাত জেগে থাকে। আবার অনেকে কোন কারণ ছাড়াই রাত জেগে থাকে। যা মানুষের শরিরে নীরব ঘাতকের মত কাজ
করে।

কেন মানুষ রাত জাগেঃ

ADVERTISEMENT

প্রতিটি মানুষের শরীরের প্রতিদিন ৭-৮ ঘন্টা ঘুমের প্রয়োজন হয়। আর এই ঘুমটি দরকার শুধুমাত্র রাতে। দিনের বেলা এই ঘুমের কোন উপকার নেই, বরং এটি শরীরের ক্ষতি করে থাকে। আজকাল মোবাইল, ফেসবুক, ইউটিউব, ল্যাপটপ, গেমিং এগুলি খুব সহজল্ভ্য হওয়ার জন্য অনেক উঠতি ১২- ২০ বছর বয়সী ছেলেমেয়েরা রাতে না ঘুমিয়ে এগুলো নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। আর রাত ২, ৩, ৪ টা পর্যন্ত জেগে থাকে। অনেকে আবার এগুলোর মধ্যে এতটাই জড়িয়ে পড়ে যে, সাড়ারাত জেগে থেকে পার করে দেয়। এক সময় অনেকে এগুলোতে অভ্যস্ত হয়ে পরে। যার ফলে তারা আর রাতে ঘুমাতে পারেনা। তারা দিনের বেলা ৬-৭ ঘন্টা ঘুমিয়ে নেয়। যার ফলে রাতে আর তাদের কিছুতেই ঘুম আসে না। এই বদ অভ্যাস যে শুধু টিনেজাররাই করে তা নয়, বিভিন্ন বয়সের ছেলে মেয়েরা এই বদ অভ্যাসে
জড়িয়ে পরে। অনেকেই আবার টেনশন, দুষচিন্তা ইত্যাদি কারণে রাত জাগে, অনেকে রাত জেগে কাজ করতে ভালভাসে। রাত জেগে নিরিবিলি কাজ করতে তারা পছন্দ করে। এবার দেখা যাক রাত জাগার কুফল-

রাত জাগার কুফলঃ

নিয়মিত রাত জাগার ফলে মানুষের মন ও শরীর অনেক খিটখিটে হয়ে যায়। যার ফলে তারা সামাজিক ও পারিবারিক ভাবে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হয়।

নিয়মিত রাত জাগলে ক্ষুধামন্দা, কোষ্ঠকাঠিন্য এই ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হয়।

রাত জাগার ফলে সময়ের কাজ সময়ে করতে সমস্যা হয়, যারা নিয়মিত রাত জাগেন তারা সকালে ঘুম থেকে উঠতে দেরি করার সময়েরে কাজ সময়ে করতে পারেন না।

এছাড়াপড়াশুনা ও কাজকর্মে অনেক অনীহার সৃষ্টি হয়। কারণ তারা কাজ করার মনোযোগ হারিয়ে ফেলেন।
এছাড়া নিয়মিত রাত জাগার ফলে চুল পড়া সমস্যা, ত্বকের সমস্যা, হার্ট এর সমস্যা, বিভিন্ন হরমোনগত সমস্যার সম্মুখীন হোন।