মানুষের চেহারা সুন্দর দেখানোর জন্য সবথেকে বেশি যেটার প্রয়োজন হয়,তা হল তার দাঁত। আর সেই দাঁত যদি হয়, হলদেটে কিংবা কালচে তাহলে মানুষের সৌন্দর্যটাই ম্লান হয়ে যায়। তখন মানুষকে খুবই আন স্মার্ট লাগে। চেহারাকে সুন্দর আকর্ষনীয় করতে দাতটি সর্বপ্রথম নজর কারে। তাই এই দাঁতটি হতে হয় চকচকে ও সাদা। ঘরোয়া পদ্ধতিতে খুব সহজেই এই দাতকে সাদা ও চকচকে করা যায়। নিচে দাঁত সাদা করার ৩ টি পদ্ধতি দেখুন।

আপেল সিডার ভিনেগার ও বেকিং সোডার সাহায্যেঃ

একটি পাত্রে ২ চামচ আপেল সিডার ভিনেগার ও ২ চামচ বেকিং সোডা নিয়ে ভালভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। এবার একটি নরমাল ব্রাশের সাহায্যে ২ এই মিশ্রণটি ব্রাশে লাগিয়ে ২ মিনিট ধরে ব্রাশ করতে হবে। এরপর নরমাল পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে। বেকিং সোডাতে আছে ন্যাচারাল হোয়াইটেনিং উপাদান, যা দাতের কালচে, লালচে ও হলদেটে ভাব দূর করে ফেলে। আর আপেল সিডার ভিনেগার ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া দূর করে দাতকে সাদা করতে সাহায্য করে। সর্বোচ্চ ফল পেতে এটি সপ্তাহে ১দিন ব্যবহার করতে হবে। খুব তাড়াতাড়ি এটার ফলাফল দেখা যাবে। তবে এটি প্রতিদিন ব্যবহার করা যাবে না। কারণ আপেল সিডার ভিনেগার ও বেকিং সোডাতে কিছু এসিডের উপসস্থিতি রয়েছে, যা দাঁত ও মাড়ির ক্ষতি করতে পারে। তাই এটি প্রতি সপ্তাহে রাতে শোবার আগে প্রয়োগ করতে হবে।

আদার সাহায্যেঃ

আদা সকল ধরনের ইনফেকশন দূর করতে খুবই কার্যকর। একটি পাত্রে কিছু আদা গ্রেটার দিয়ে ছেচে নিতে হবে। এরপরীর সাথে আধা চামচ লবণ, ১ চামচ সরিষার তেল যোগ করে নিতে হবে। ২-৪ মিনিট এই মিশ্রণটি মিক্স করেনিতে হবে। এরপর এরসাথে
১ চামচ লেবুর রস মিশিয়ে নিতে হবে।লেবু দাতকে সাদা করতেসাহায্য করবে। আর সরিষার তেল দাতকে মজবুত করতে সাহায্য করবে। এই মিশ্রণটি দিয়ে নিয়মিত ব্রাশ করলে দাতের হলদেটে ভাব চলে যাবে ও দাঁত হবে ফ্যাংগাস মুক্ত। এটি প্রতিদিন করা যেতে পারে।

কলার খোসার সাহায্যেঃ

কলার খোসাতে রয়েছে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম ও ভিটামিন ডি। আর পটাশিয়াম দাতকে সাদা করতে খুব কার্যকর। একটি আধা পাকা কলা উলটো দিক দিয়ে খোসা ছাড়িয়ে নিতে হবে। এবার এই খোসার গুলির ২-৩ টি চারকোনা করে কেটে নিতে হবে। এবার ঘুম থেকে উঠে এই চারকোনা খোসাগুলি দিয়ে ২ -৩ মিনিট ভাল করে সকল দাঁত ঘষে নিতে হবে। ১৫-২০ মিনিট অপেক্ষা করার পর দাঁত ভাল করে ব্রাশ করে নিতে হবে। এটি সপ্তাহে প্রতিদিন করতে হবে। এতে দাতের হলদে ভাব দূর হয়ে যাবে। এটি একটি বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি।