চোখের নিচের ডার্ক সার্কেল চেহারার সৌন্দর্যকেই নষ্ট করে দেয়। আর এটা যাদের হয়, তাদের দেখতে প্রকৃত বয়সের চাইতেও অনেক বেশি বয়স্ক দেখায়। নানা কারণে এই ডার্ক সার্কেল হলেও প্রাকৃতিক উপায়ে এটি সহজেই দূর করা যায়।

কেন ডার্ক সার্কেল হয়ঃ

১। পরিমিত ঘুমের অভাব, বিশেষ করে রাতে ঘুমের অভাবে।

২। অতিরিক্ত মানসিক চাপের কারণে।

৩। বয়স বেড়ে যাবার সাথে সাথে চোখের নিচে কালো হতে থাকে।

৪। ঠিকমত পানি পান না করলে।

৫। অনেকের অ্যালার্জীজনিত সমস্যা থেকে এমন হয়ে থাকে।

৬। অতিরিক্ত সূর্যের আলোর থাকার জন্য।

৭। বংশগত কারণে।

চোখের নিচে ডার্ক সার্কেল হলে কিভাবে তা দূর করা যায়ঃ

১। শশার রস, লেবুর রসঃ

চোখের নিচের ডার্ক সার্কেল
অ্যালোভেরা জেল

একটি শশার কয়েক টুকরা থেকে কিছুটা রস বের করে সেখান থেকে ১ চামচ ও লেবুর রস আধা চামচ মিশিয়ে সেটি চোখের নিচে ২০ মিনিট লাগিয়ে রেখে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। এরপর সেখানে ময়েশ্চারাইজিং এর জন্য অ্যালোভেরা জেল লাগাতে হবে। এভাবে নিয়মিত প্রতিদিন করা যেতে পারে।

। আলুর রস, টমেটোর রস ও গোলাপ জলঃ

১ চামচ আলুর রস, ১ চামচ টমেটোর রস ও আধা চামচ গোলাপ জল একসাথে মিশিয়ে এটি চোখের নিচে কালো জায়গায় একটি কটন বার দিয়ে ভিজিয়ে লাগাতে হবে। ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলতে হবে। এরপর ময়েশ্চারাইজার লাগাতে হবে। এভাবে নিয়িমিত করতে থাকলে ডার্ক সার্কেল দূর হয়ে যাবে।

৩। নারকেল তেল ও ভিটামিন ইঃ

১ চামচ নারকেল তেলে একটি ভিটামিন ই ক্যাপসুল ভেঙ্গে তেল বের করে তার মিশিয়ে চোখের নিচে রাতে ঘুমাতে যাবার আগে লাগিয়ে সকালবেলা ধুয়ে ফেলতে হবে। ভিটামিন ই দাগ দূর করতে খুবই কার্যকর। আর নারকেল তেল ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করবে।

যেসকল বিষয় মেনে চলতে হবেঃ

১। পরিমিত ঘুমাতে হবে। দিনে কমপক্ষে ৮ ঘন্টা ঘুমাতে হবে। এর থেকে বেশি ঘুমালেও সমস্যা নেই।

২। একটি পরিষ্কার কাপড়ে কিছুটা বরফের টুকরা নিয়ে এটি চোখের চারপাশে লাগিয়ে রাখতে হবে। এভাবে ২০ মিনিট লাগিয়ে রাখলে খুব ভাল ফল পাওয়া যায়। তবে এটি নিয়মিত করতে হবে।

৩। একটি টি ব্যাগ প্রথমে গরম পানিতে ভিজিয়ে নিয়ে, সেটি তুলে ফ্রিজে ২০ মিনিট রেখে দিয়ে বের করে, তা চোখের চারপাশে যেখানে ডার্ক সার্কেল রয়েছে সেখানে ১৫ মিনিট ধরে লাগিয়ে রাখতে হবে। এরপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।
এতে খুব ভাল ফল পাওয়া যাবে। এটা নিয়মিত করতে হবে।

৪। সবসময় সূর্যকে এড়িয়ে চলতে হবে অথবা সান স্ক্রিন ক্রিম ব্যবহার করতে হবে।

৫। নিয়মিত ও পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করতে হবে।