আজকাল অনেকেই ঘরে বসে অনলাইনের মাধ্যমে আয় করতে চায়। যেহেতু ঘরে বসে কোন রকম ঝামেলা ছাড়াই অনলাইনের মাধ্যমে আয় করা যায়, তাই এটি আজকাল খুব জনপ্রিয় হচ্ছে। তাছাড়া এর মাধ্যমে কাজ করে যেমন অনেক টাকা আয় করা যায় আবার একই সাথে এই কাজের অনেক স্বাধীনতা থাকে। আপনার ইচ্ছামত যেকোন সময় এই কাজ করা যায়। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষই অনলাইনে আয়ের সঠিক উপায় জানেন না। দেখে নিন কি কি উপায়ে অনলাইনে আয় করা যায়ঃ

মোবাইলে অ্যাপ্স এর মাধ্যমেঃ

Advertisement

আজকাল বিভিন্ন মোবাইল অ্যাপস এর মাধ্যমে আয় করা যায়। বিভিন্ন কুইজ অ্যাপ্স ছাড়াও বিভিন্ন গেমিং অ্যাপসে গেম খেলেও টাকা আয় করা যায়। আর এইভাবে আয় করা অনেক সহজ। আপনি চাইলেই কোন দক্ষতা ছাড়াই এভাবে টাকা আয় করতে পারবেন ও আয়কৃত টাকা আপনার বিকাশে বা ব্যাংকে নিতে পারবেন।

ফ্রিলান্সিং করে আয়ঃ

আপনি যদি নির্দিষ্ট কোন বিষয় যেমন- ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ডিজিটাল মার্কেটিং, এনিমেশন ইত্যাদির উপর অনেক দক্ষ হয়ে থাকেন, তবে বিভিন্ন মার্কেট প্লেস যেমন- আপওয়ার্ক, ফ্রিলান্সার ডট কম, ফাইবার ইত্যাদিতে কাজ করে আয় করতে পাববেন। এক্ষেত্রে ক্লাইন্ট বা বায়ার আপনাকে কাজ দিবে আর আপনি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেই কাজ জমা দেওয়ার বিনিময়ে টাকা আয় করতে পারবেন। এক্ষেত্রে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ক্লাইন্ট অনেক উন্নত দেশের নাগরিক হওয়ায় তার কাছে আপনার পারিশ্রমিক অনেক কম মনে হলেও আপনার কাছে তা লাখ লাখ টাকা হয়ে যাবে। আপনি একজন দক্ষ ফ্রিলান্সার হলে মাসে সর্বনিম্ন ২-৩ লাখ টাকা আয় করতে পারবেন।

ইউটিউব ভিডিও এর মাধ্যমে আয়ঃ

আপনি যদি অনেক ভাল ভিডিও বানাতে পারেন তাহলে টাকা আয় করা আপনার কাছে অনেক সাধারণ ব্যাপার হবে। আপনার ভিডিও এর মান যদি অনেক ভাল হয় আর আপনার ভিডিও এর ভিউ যদি অনেক বেশি হয় তবে আপনি একটি ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে আপনার ভিডিও মানুষকে দেখিয়ে অনেক টাকা আয় করতে পারবেন। যত বেশি মানুষ আপনার ভিডিও দেখতে তত বেশি আপনার ইনকাম হবে। তবে এক্ষেত্রে আপনার ইউটিউব চ্যানেলটি গুগলে মনেটাইজেশন করতে হবে। বাংলাদেশের অনেক ইউটিউবার মাসে ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা আয় করে থাকে।

ফেসবুক ভিডিও এর মাধ্যমে আয়ঃ

ইউটিউবের মত ফেসবুকে ভিডিও দিয়েও আপনি আয় করতে পারবেন। এক্ষেত্রে আপনার একটি ফেসবুক পেজ থাকতে হবে আর সেখানেও সেটি ফেসবুকের মাধ্যমে মনেটাইজেশন করতে হবে। আর এক্ষেত্রে আপনার ভিউ যত বেশি হবে, আয় তত বেশি হবে। আর সেই আয়কৃত টাকা আপনি আপনার ব্যাংক একাউন্টে নিতে পারবেন।

ওয়েবসাইটে ব্লগ লিখে আয়ঃ

আপনি যদি খুব ভাল ব্লগার হোন বা লিখতে পারদর্শী হোন, তবে আপনি বাংলা বা ইংলিশে ব্লগ বা আর্টিকেল লিখে আয় করতে পারবেন। আর এই লেখার জন্য বিভিন্ন মাধ্যম আছে যেমন ওয়ার্ডপ্রেস, ব্লগার ইত্যাদি। এক্ষেত্রেও আপনার লেখা যত বেশি মানুষ পড়বে তত আপনার টাকা আয় হবে। আর এই জন্য আপনার ওয়ার্ডপ্রেস বা ব্লগার ওয়েবসাইটে গুগল বা টাবোলা এই ধরনের অ্যাড লাগাতে হবে। আপনি ওয়েবসাইটের অ্যাডে যত বেশি ক্লিক পরবে আপনার আয় তত বেশি হবে। আপনি আপনার আয় করা টাকা ব্যাংকের মাধ্যমে নিতে পারবেন। এছাড়া আপনার ব্লগ বা আর্টিকেল ফেসবুক পেজের মাধ্যমে ইন্সট্যান্ট আর্টিকেলে সেট করে মনেটাইজেশন করে আয় করতে পারবেন। আর এজন্য আপনার যত বেশি
ভিউ হবে তত বেশি টাকা আয় করতে পারবেন।

ফেসবুক পেজের মাধ্যমে আয়ঃ

আপনি ফেসবুকে পেজ খুলে বিভিন্ন পন্য সামগ্রী বিক্রি করে টাকা আয় করতে পারবেন। এক্ষেত্রে আপনি জামা কাপড়, কসমেটিক্স থেকে শুরু করে বিভিন্ন খাবার দাবার আপনার ফেসবুক পেজে সেট করে সেগুলো বিক্রি করে আয় করতে পারবেন। এক্ষেত্রে আপনি যদি অনেক সৎ হোন ও অরিজিনাল পন্য দিয়ে থাকেন, তাহলে আপনার বিক্রি বেড়ে যাবে আর আপনি অনেক টাকা আয় করতে পারবেন।

ছবি তুলে আয়ঃ

আপনি খুব ভালো ফটোগ্রাপার হলে সুন্দর সুন্দর ছবি তুলে গুলি অনলাইনে বিভিন্ন প্লাটফর্ম যেমন- পিক্সাবে, সাটারলক ইত্যাদিতে ছবি বিক্রি করে টাকা আয় করতে পারবেন।

Advertisement