সুন্দর, কোমল, গোলাপী ঠোঁট কে না চায়? কিন্তু অনেক সময় নানা কারণে আমাদের ঠোঁট কালো হয়ে যায়। বিশেষ করে অনেক ছেলেদের ঠোঁট কালো হয়ে যায় যারা অতিরিক্ত ধুমপান করার কারণে। এছাড়া সুর্যের তাপ ও বিভিন্ন লিপজেল মাখার জন্য
ঠোঁট কালো হয়ে যায়। তাই দেখে নিন কিভাবে ঘরোয়া উপায়ে সেই কালো ঠোঁট গোলাপী করা যায়। এখানে ২ টি পদ্ধতি দেখানো হবে, যা ছেলে ও মেয়ে উভয়ের জন্যই প্রযোজ্য। এই দুই পদ্ধতি অনুসরণ করলে খুব সহজে ও তাড়াতাড়ি ঠোঁটের কালচে দাগ দূর হয়ে ঠোঁট হয়ে উঠবে অনেক সুন্দর, কোমল ও গোলাপী।

প্রথম উপায়ঃ

১/২ চামচ গুড়া চিনি, ১ চামচ অলিভ অয়েল /নারিকেল তেল একসাথে ভালভাবে মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করে নিতে হবে। এবার একটি ব্রাশে সেই মিশ্রণটি লাগিয়ে তা ভালকরে ঠোঁটে ১-২ মিনিট ধরে স্ক্রাব করতে হবে।যার ফলে ঠোঁটের ডেড স্কিন ভালভাবে পরিষ্কার হয়ে যাবে। এর সাথে সাথে ঠোঁটের ব্লাড সার্কুলেশনও বেড়ে যাবে। এতে ঠোঁট হয়ে উঠবে নরম , মোলায়েম ও উজ্জ্বল। এটি সকালে করতে হবে

এরপর রাতে ঘুমাতে যাবার আগে, ১/২ চামচ মধু, ১/২ চামচ লেবুর রস ভালভাবে মিশিয়ে সেই মিশ্রণটি ঠোঁটে লাগিয়ে সাড়ারাত রেখে দিতে হবে। সকালে ঘুম থেকে উঠে ভালভাবে ঠান্ডা পানি দিয়ে ঠোঁট ধুয়ে ফেলতে হবে। এই মিশ্রণে থাকা লেবুর রস ঠোঁটের কালো দাগকে সহজেই তুলে ফেলবে আর মধু ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করবে। আর এতে ঠোঁট হবে নরম, গোলাপী ও মোলায়েম। এই পদ্ধতি প্রতিদিন করলে ১ সপ্তাহের মধ্যে ফল পাওয়া যাবে।

২য় উপায়ঃ

১ চামচ লেবু ও ১/২ চামচ চিনি একসাথে ভালভাবে মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করে নিতে হবে। এবার একটি ব্রাশে সেই মিশ্রণটি লাগিয়ে তা ভালকরে ঠোঁটে ১-২ মিনিট ধরে স্ক্রাব করতে হবে। লেবুতে থাকা ভিটামিন সি ও সাইট্রিক এসিড স্কিন লাইটেনিং এর কাজ করে। এছাড়া এটি মৃত সেল দূর করে ও কালচে ভাব দূর করে। যার ফলে ঠোঁট হয়ে উঠবে নরম , মোলায়েম ও উজ্জ্বল। এটি সকালে করতে হবে।

এরপর রাতে ঘুমাতে যাবার আগে ১ চামচ মধু, ১ চামচ অ্যালোভেরা জেল ভালভাবে মিশিয়ে সেই মিশ্রণটি ঠোঁটে লাগিয়ে সাড়ারাত রেখে দিতে হবে। সকালে ঘুম থেকে উঠে ভালভাবে ঠান্ডা পানি দিয়ে ঠোঁট ধুয়ে ফেলতে হবে।মধুর মধ্যে আছে ব্লিচিং প্রোপার্টি, যা সহজে ঠোঁটের ডার্ক স্পট দূর করে ঠোঁটের ন্যাচারাল রঙ ফিরিয়ে নিয়ে আসে। এছাড়া অ্যালোভেরা জেলে কার্যকারী নিউট্রিয়ন প্রদান করে ঠোঁটকে করে তোলে কোমল ও গোলাপী। এই পদ্ধতি প্রতিদিন করলে ১ সপ্তাহের মধ্যে ফল পাওয়া যাবে।

উপরের পদ্ধতিগুলোর যেকোন একটি অনুসরণ করলেই ঠোঁট হবে আকর্ষনীয় কোমল, মোলায়েম ও গোলাপী।