আপনি কি উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন? দীর্ঘদিন ধরে এই উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ খেতে খেতে বিরক্ত হয়ে গেছেন? অনেক চেষ্টা করেছেন ওষুধ খাওয়া বন্ধ করার কিন্তু দিন শেষে পারছেন না। আমাদের অনেকের কাছে হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপ খুব একটা জটিল কিছু না মনে হলেও অনেক সময় এই হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপ জীবন নাশের কারন হতে পারে।

তবে শুধু যে ওষুধ খেয়েই আপনাকে তা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে বা ওষুধের মাধ্যম ছাড়া তা কোন ভাবেই নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন না, বিষয়টি আসলে তা নয়। কিছু বিষয় আছে যা মানলে ও নিয়ন্ত্রনে রাখতে পারলেই আপনিও খুব সহজেই হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপ মেনটেন করে চলতে পারবেন।

Advertisement

তবে হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপ কিভাবে নিয়ন্ত্রন করবেন তা জানার আগে আপনাকে জানতে হবে কি কি কারনে এই সমস্যা হয়ে থাকে কারন আমাদের মধ্যে অনেকে এই বিষয়ে অনেক ভ্রান্ত ধারনা নিয়ে বসে থাকেন, যা দূর হওয়া সবার আগে প্রয়োজন।
হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপ কি ও কেন হয়?

আমাদের দেহে রক্ত চলাচলের সময় যে চাপ সৃষ্টি করে তাকে রক্তচাপ বলে। এই রক্তের চাপ সবার এক সমান হয় না, বিভিন্ন বয়সে এই রক্তের চাপ ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপ তখন বলা হয় যখন এই রক্তের চাপ সাধারন অবস্থার থেকে বেশি থাকে।

হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপ বিভিন্ন কারনে হয়ে থাকে, তবে এর সর্বপ্রথম কারন হল অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, মানসিক চাপ, অবসাধ, ধুমপান। হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপ জন্য নানা ধরনের সমস্যা হয়ে থাকে, এমনকি রক্তনালির দেয়াল সংকুচিত হয়ে হার্ট অ্যাটাকও হতে পারে। এছারাও মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণও হতে পারে, অনেক ক্ষেত্রে রোগীর মৃত্যুর আশংকাও থাকে।

হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপ কিভাবে নিয়ন্ত্রণ করবেন –

১। হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে সবার আগে আপনাকে যা করতে তা হল আপনাকে সবার আগে যা করতে হবে তা হল আপনাকে আপনার খ্যাদাভাস নিয়ন্ত্রন করতে হবে। ডাক্তারের কাছে থেকে নিজের মেডিক্যাল হিস্টোরি অনুসারে খাদ্য তালিকা তৈরি করে নিন ও সেই ভাবে খাওয়া দাওয়া শুরু করুন।

 ২। ফ্যাটজাতীয় খাবার, জাংক ফুডকে সম্পূর্ণ ভাবে না বলুন। এছাড়াও গরুর মাংস, খাসির মাংস খাওয়ার পরিমান কমিয়ে ফেলুন।

৩। প্রতিদিন নিয়মিত হাঁটার অভ্যাস গড়ে তুলুন, প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট হাটুন। সেই সাথে সম্ভব হলে নিয়মিত ২০ মিনিট হালকা ধরনের ব্যায়াম করুন।

৪। ভিটামিন সি জাতীয় খাবার ও সেই সাথে টাটকা সবজি, ফলমূল বেশি করে খান।

৫। ধূমপান করা থেকে সম্পূর্ণ ভাবে বিরত থাকুন।

৬। অতিরিক্ত টেনশন ও বেশি রাত ধরে জেগে থাকা পরিহার করুন।

Advertisement