একটি ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট খুব সহজেই তৈরি করা যায়। পৃথীবিতে যত ওয়েবসাইট আছে তার ৪৫ভাগই হল ওয়ার্ডপ্রেসে তৈরি। আর একটি ওয়ার্ডপ্রেস সাইটের সবথেকে গুরত্বপূর্ণ অপশন হল
এর থীম ও প্লাগিন। একটি ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট এই দুইটির সমন্বয়েই গঠিত।

ওয়ার্ডপ্রেস থীমঃ

ADVERTISEMENT

ওয়ার্ডপ্রেস থীম হল সেই ওয়েবসাইটের লে আউট। সোজা কথায় বলতে গেলে থীম হল ওই সাইটের কাঠামো। একটি থীমে বিভিন্ন ক্যাটাগরি অনুযায়ী তার ফাংশন ভাগ করা থাকে ও ভিন্ন ভিন্ন রকমের থীম হয়। যেমন- একটি ম্যাগাজিন ওয়েবসাইটের থীম এক রকম হয়। আবার একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইটের থীম আরেক রকমের হয়ে থাকে। আপনি যেই ক্যাটাগরির ওয়েবসাইট বানাতে চান, আপনাকে প্রথমে সেই ক্যাটাগরির থীম নির্বাচন করতে হবে ও সেই থীম আপনার ওয়েবসাইটে সেট করতে হবে।

কোথায় পাব এই থীমঃ

ওয়ার্ডপ্রেস থীম আপনার সাইটের ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবোর্ডেই রয়েছে। ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবোর্ড এর অ্যাপেয়ারেন্স অপসনের থীম অপসনে বিভিন্ন থীম পাওয়া যায়। যা একেবারেই ফ্রী। আপনি এখান থেকে আপনার পছন্দমত ক্যাটাগরির থীম নির্বাচন করে থীম অ্যাড করে অ্যাকটিভ করে নিলেই আপনার ওয়েবসাইট রেডি হয়ে যাবে। এছাড়া আপনি যদি আরো প্রফেশনাল মানের ওয়েবসাইট বানাতে চান, তাহলে আপনি বিভিন্ন কোম্পানীর কাছ থেকে থীম কিনে আপলোড করে ব্যবহার করতে পারেন। কয়েকটি সনামধন্য ওয়ার্ডপ্রেস থিম সাইটের নাম হল- themeforest.netmythemeshop.comelegantthemes.com ইত্যাদি। এই ওয়েবসাইটগুলি বিভিন্ন ক্যাটাগরির থীম বিক্রি করে থাকে।

একটি ওয়ার্ডপ্রেস থীমে নানা ধরনের ফাংশন থাকে। একেক থীমে একেক ধরনের ফাংশন থাকে। যেগুলি ব্যবহার যেকেউ খুব সুন্দর ডিজাইনের ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবে। একটি থিমের উল্লেখযোগ্য কিছু ফাংশন হল-
theme options, theme builder, theme customizer, role editor, category builder ইত্যাদি।

ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগিনঃ

একটি ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইটকে আরো আকর্ষনীয় করে তোলা প্লাগিন এর কাজ। এছাড়া একটি ওয়ার্ডপ্রেস সাইটের বিভিন্ন ফাংশনের জন্য বিভিন্ন প্লাগিন যোগ করতে হয়। এছাড়া প্লাগিনের সাহায্যে একটি ওয়েবসাইটের গতি বাড়ানো যেতে পারে, ওয়েবসাইটে ঘড়ি, তারিখ এইসকল কিছু যোগ করা যায়। এরকম আরো অনেক রকমের কাজ প্লাগিনের মাধ্যমে করা যায়। অর্থাৎ একটি থীমে কিছু নির্দিষ্ট ফাংশন থাকে, যা আর বড়ানো যায়না। তাই
তখন বিভিন্ন প্লাগিন যোগ করে সাইটের বিভিন্ন ফাংশন তখন বাড়ানো হয়। যেমন w3 total cache নামক একটি প্লাগিনের মাধ্যমে ওয়েবসাইটের স্পীড বাড়ানো যায়। all in one seo প্লাগিনের মাধ্যমে ওয়েবসাইটের
এসইও করা যায়। wp pagenavi প্লাগিনের মাধ্যমে ওয়েবসাইটের বিভিন্ন পোস্টের নাম্বারিং করা যায়। এরকম আরো অনেক প্লাগিন আছে। যেমন- Ad Inserter, Bangla Web Fonts, Display Posts ইত্যাদি।
একটি ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইটে যত খুশি তত প্লাগিন যোগ করা যায়।