ইসরাইলের নাগরিক হতে আবেদন করেছেন বহু ফিলিস্তিনি। ফিলিস্তিনিদের মধ্যে যারা ইসরাইলের নাগরিকদের বিয়ে করেছেন তারা দেশটির নাগরিকত্ব পাবার জন্য এ আবেদন করেছেন। এর আগে তারা ইসরাইলের নাগরিকত্ব আইনের কারণে এ আবেদন করতে পারতেন না। এ সপ্তাহে ইসরাইলের সরকার নাগরিকত্ববিষয়ক ওই বিতর্কিত আইনটির সময় বাড়িয়ে পুনরায় চালু করতে ব্যর্থ হয়।

এর পরপরই বহু ফিলিস্তিনি ইসরাইলের নাগরিক হতে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতায় আবেদন করছেন।

Advertisement

বিভিন্ন এনজিও ও মানবাধিকার সংগঠন তাদের আশ্রিত ব্যক্তিদের জন্য ইসরাইলের নাগরিকত্ব অথবা স্থায়ী বসবাসের অনুমতি পাওয়ার জন্য আবেদন করেছে। এসব এনজিওর মধ্যে ‘হ্যামোকেড সিভিল রাইট গ্রুপ’ নামের একটি মানবাধিকার গ্রুপও আছে, যারা এ সেবা দিচ্ছে। তারা অন্যান্য সংগঠন ও ব্যক্তিকে নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্য আবেদন করতে বলছে ও উৎসাহিত করছে।

ইসরাইলের নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্য আবেদন করার মাধ্যমে ১৩ হাজার ফিলিস্তিনি ইসরাইলের নাগরিকত্ব বা স্থায়ী বসবাসের অনুমতি পাবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এসব ফিলিস্তিনিরা ইসরাইলের আরব অথবা ইহুদি নাগরিককে বিয়ে করেছিলেন। তারা ইসরাইলের পরিবার একত্রীকরণ আইনের আওতায় এসব নাগরিকত্ব পেতে যাচ্ছেন।

এর আগে ২০০৩ সালের করা এক কুখ্যাত আইনের আওতায় ফিলিস্তিনিরা ইসরাইলের নাগরিকত্ব পেতেন না। এ সপ্তাহে ইসরাইলের সরকার নাগরিকত্ববিষয়ক ওই বিতর্কিত আইনটির সময় বাড়িয়ে পুনরায় চালু করতে সংসদে (নেসেট) পাস করতে ব্যর্থ হয়। নতুন প্রধানমন্ত্রী বেনেটের এই ব্যর্থতার ফলে ফিলিস্তিনিদের ইসরাইলের নাগরিকত্ব পেতে আর কোনো বাধা নেই।

সূত্র : দ্য জেরুসালেম পোস্ট

Advertisement